সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ফেনী জেলার ছাগলনাইয়াতে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে তিনি ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।
- দেশের সাত জেলায় বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা
- * * * *
- সিদ্ধিরগঞ্জে যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৫৬ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা, গ্রেফতার-২
- * * * *
- সিরাজগঞ্জে স্পেলিং স্টারের বাছাই নিয়ে কর্মশালা
- * * * *
- ঢাবির ২৪ শিক্ষার্থী পেলেন ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড
- * * * *
- ময়মনসিংহে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ হিজড়া গ্রেপ্তার
- * * * *
ফেনী
ফেনীতে বন্যার্তদের চিকিৎসায় ও বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ১৪টি ডেডিকেটেড হাসপাতালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো- জেলা শহরে সেনাবাহিনীর স্বাস্থ্য ক্যাম্প স্থাপনসহ ৬ উপজেলায় ৬টি স্বাস্থ্য ক্যাম্প এবং বেসরকারি ৭টি হাসপাতালকে এ কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ঢাকাস্থ চীনা দূতাতবাসের ডেপুটি মিশন চিফ মি. লিউ ইউইন বলেছেন, ফেনীবাসী তথা বাংলাদেশের মানুষের এই দুর্যোগকালীন সময় বাংলাদেশ সরকারের সকল প্রচেষ্টায় চীনের সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
সারাদেশে বিভিন্ন জেলায় বন্যাকবলিত এলাকায় বানভাসি মানুষের সাহায্যে কাজ করে যাচ্ছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (২৫ আগস্ট) ফেনীতে বন্যাকবলিত মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতারা।
ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে রয়েছে। এখনও শহরের প্রধান প্রধান সড়কের কোথায়ও কোমড়ের উপর আর কোথাও কোমড় পানি রয়েছে। ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার উঁচু এলাকা থেকে পানি প্রায় নেমে গেছে। ফেনী শহর, সদর, দাগনভূঞা ও সোনাগাজী উপজেলার পানিবন্দি মানুষ এখনও আগের মতোই আছেন। তবে পানি কিছুটা কমেছে।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর Mi-17Sh হেলিকপ্টার শনিবার বন্যাদুর্গত এলাকা ফেনী জেলার পরশুরামপুর মডেল স্কুল মাঠ থেকে পাঁচজনকে উদ্ধার করে ঢাকা নিয়ে আসে
ফেনী জেলার মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার সচল রাখতে জেনারেটরের ডিজেল ফ্রি (বিনামূল্য) করার নির্দেশনা দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
ফেনীতে দেখা দিয়েছে তীব্র বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য সংকট। চরদিকে বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের জন্য হাহাকার। কিছু এলাকা থেকে পানি কমলেও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। গতকাল রাত থেকে দাগনভূঞা উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকে।
টানা ভারী বর্ষণ এবং ভারত থেকে আসা পানিতে ডুবে গেছে ফেনীর সব উপজেলা। এতে পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন লাখ লাখ মানুষ। এ অবস্থায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ফেনীসহ ছয় জেলায় বন্যার্তদের উদ্ধার কার্যক্রমে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।