কুড়িগ্রামে নদীর পানি কমতে শুরু করলেও বন্যা পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে। জেলার নদনদী তীরবর্তী এলাকায় ফসল ও মানুষের বসবাস বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে।
- লিটারে ৪ টাকা বাড়ল বোতলজাত তেলের দাম
- * * * *
- বিশাল নিয়োগ দেবে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, আবেদন ফি মাত্র ২০০ টাকা
- * * * *
- প্রার্থনা করি, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক যেন আর ভালো না হয়: মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত
- * * * *
- বরগুনায় ডিবির অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ ২ গ্রেফতার
- * * * *
- ময়মনসিংহে ধানখেত থেকে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার
- * * * *
বন্যা পরিস্থিতি
ফেনীর বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। ফেনী-পরশুরামের মূল সড়ক থেকে পানি নেমেছে। পানি কমতে শুরু করায় ফুটে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। বন্যায় বিভিন্ন সড়ক ভেঙে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজার, সিলেটের জকিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, চট্টগ্রামের বাঁশখালী, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
নেত্রকোণায় পাহাড়ি ঢলের কারণে এখনও পানি বেড়েই চলেছে।মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সরেজমিনে ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী উপজেলায় গিয়ে দেখা যায়, ঢলের পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে দুর্ভোগ কমেনি মানুষের। জেলার ৫ উপজেলার দেড় লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। উজানের পানি বিভিন্ন নদ-নদী হয়ে বইছে ভাটির দিকে। বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন হাজারো মানুষ। তাদের খাবার ও বিশুদ্ধ পানির চরম সংকট দেখা দিয়েছে।
বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে ইসলামী ধারার সেবামূলক প্রতিষ্ঠান আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। নিউ ইস্কাটনের বিয়াম মিলনায়তনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ২০২৪-এর বন্যায় আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ কার্যক্রমের ওপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। পাশাপাশি তিনি বৈঠকে অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছে বন্যায় আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ চান।
নোয়াখালী প্রতিনিধি:নোয়াখালীতে গত দুদিনের নতুন করে ব্যাপক বৃষ্টির ফলে নোয়াখালীর সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এতে জেলার নয়টি উপজেলার মধ্যে আটটিতেই বন্যার পানি বেড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে জেলার সেনবাগ, বেগমগঞ্জ, সদর, সোনাইমুড়ী ও চাটখিল উপজেলার বন্যার পানি। ফলে এলাকার বন্যার্ত মানুষ সীমাহীন কষ্টে দিন যাপন করছেন।
স্বাভাবিক হয়েছে কুমিল্লার গোমতি, ডাকাতিয়া ঘুংঘুরসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি। ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতির দিকে যাচ্ছে।
ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতি অনেকটা উন্নতির দিকে। এখনো পানিবন্দি রয়েছে লাখো মানুষ। তবে প্লাবিত বিভিন্ন এলাকা থেকে ধীর গতিতে নামছে পানি। বন্যার সময় যারা বাড়ি-ঘর ছেড়েছেন, তারা বাড়িতে ফেরা শুরু করেছেন।
গেল কয়েকদিনে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কুমিল্লায় বন্যা পরিস্থিতি আরও উন্নতি হয়েছে।এ দিকে গোমতী নদীর পানি স্বাভাবিক উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। গোমতী নদীর বুরবুড়িয়ায় বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে পানি বের হওয়া আজ আরও কমেছে। ফলে বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার পানি কমে বন্যা পরিস্থিতি অনেক উন্নত হয়েছে। বন্যার ফলে দেখা দিচ্ছে ক্ষতচিহ্ন। ভেসে উঠছে সড়কগুলো।
ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতি অনেকটা উন্নতির দিকে। জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, এখনও ৪৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬৬ হাজার ২৮২ জন আশ্রিত রয়েছেন