দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আল আমিন ও সুমন নামে দুই বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
বিএসএফ
মৌলভীবাজারের দুটি সীমান্ত দিয়ে ২৫ জনকে ঠেলে পাঠিয়েছে বিএসএফ। তাদেরকে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
পঞ্চগড়ে সীমান্তের ৩টি পয়েন্ট দিয়ে ১৮ জনকে পুশ ইন করেছে বিএসএফ। বুধবার (২৫ জুন) ভোরে শুকানী, টোকাপাড়া ও জয়ধরভাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ঠেলে দেওয়া হয়।
সাতক্ষীরার কুশখালী সীমান্ত দিয়ে ১৪ বাংলাদেশিকে পুশ ইন করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শনিবার (২১ জুন) দুপুরে কুশখালী সীমান্ত দিয়ে তাদেরকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়। বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে রয়েছেন চারজন পুরুষ, সাতজন নারী ও তিনজন শিশু।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জহুরপুরটেক সীমান্তে ভুলবশত ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছিলেন মো. মতিউর রহমান নামের এক বিজিবি সদস্য। পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে শনিবার (২১ জুন) রাতে তাকে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাসুদপুর সীমান্ত দিয়ে আরও ২০ জনকে পুশইন করেছে ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। পরে বাংলাদেশ সীমান্তে তাদের আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতে আটকের পর দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে আল আমিন হোসেন (১৬) এক বাংলাদেশি কিশোরকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। মঙ্গলবার রাত ১০টায় সীমান্তের ২৮৪ নম্বর পিলারের স্টেশন পাড়া নামক এলাকায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ওই কিশোরকে ফেরত দেয় বিএসএফ।
দায়িত্ব পালনকালে দুই বিএসএফের জওয়ানের মধ্যে বচসা, চললো গুলি। সেই গুলিতে মৃত্যু হল এক বিএসএফ কনস্টেবলের।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) নারী ও শিশুসহ ১৩ জন বাংলাদেশিকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন করিয়েছে। গত সোমবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় উপজেলার সেনগাঁও ইউনিয়নের ফকিরগঞ্জ সীমান্তের ৩৪১/৪-এস পিলার এলাকা দিয়ে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট সীমান্ত দিয়ে আটজনকে পুশ-ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার রাত ৩টার দিকে ভারতের আলিপুর এলাকা থেকে তাদের পুশইন করা হয়। তাদের মধ্যে চারজন নারী ও চারজন পুরুষ।