বাংলাদেশের ১৮ বছরের নিচে স্কুলশিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্মতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
- সবুজ বাংলাদেশ গড়তে একযোগে অর্ধশতাধিক মাদরাসায় বৃক্ষরোপণ
- * * * *
- দলে সুযোগ না পাওয়ায় ভারতীয় ক্রিকেটারের আত্মহত্যা
- * * * *
- উয়েফা ও কনকাকাফের পর এএফসির বিরোধিতা, বিপাকে ফিফা
- * * * *
- লন্ডনে শাহরুখ পুত্রের সঙ্গে কে এই তরুণী?
- * * * *
- ডেটিং অ্যাপে ধনী ব্যক্তিদের ফাঁসিয়ে চুরির অভিযোগ, গ্রেফতার অভিনেত্রী
- * * * *
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ম্যালেরিয়ার টিকা অনুমোদন করলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই টিকা বানিয়েছে গ্ল্যাক্সো স্মিথক্লাইন।আফ্রিকায় এই টিকার পরীক্ষা হয়েছে। সাফল্যের হার ৩০ শতাংশ। তা সত্ত্বেও এই টিকা অনুমোদন করা হয়েছে।
কভিড-১৯ এর টিকা দেয়ার অগ্রাধিকার গ্রুপে শিক্ষক এবং স্কুল স্টাফদের রাখতে হবে, যেন ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার স্কুলসমূহ খোলা রাখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ সোমবার এ কথা বলেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তা বিঘিন্ত করার বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, দেশটির ভঙ্গুর স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। দেশটি বর্তমানে তালেবানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের হাত থেকে সুরক্ষায় দরিদ্র দেশগুলোর যেসব লোক দুই ডোজ করে টিকা পেয়েছেন, তারা নিজেদের ভাগ্যবান ভাবতেই পারেন! কারণ বিপুল জনগোষ্ঠীর মধ্যে তাদের সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। এ ধরনের দেশগুলোতে এক ডোজ টিকা পাওয়া মানুষের সংখ্যাও খুবই কম। দরিদ্র বিশ্ব এভাবে যখন করোনা টিকার স্বাভাবিক দুই ডোজ পেতেই হিমশিম খাচ্ছে, তখন ধনী দেশগুলো বুস্টার হিসেবে তৃতীয় ডোজ দেয়ার পরিকল্পনা শুরু করেছে।
দেখতে দেখতে পেরিয়ে গিয়েছে দেড় বছরেরও বেশি সময়। গোটা বিশ্বেই কোভিড সংক্রমণের গ্রাফ কখনও বেড়েছে। কখনও কমেছে। কিন্তু আতঙ্ক অব্যাহতই রয়েছে। মুক্তি মেলেনি করোনার থাবা থেকে। কবে শেষ হবে করোনা অতিমারী? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খেয়ে চলেছে সকলেরই মনে।
কোভ্যাক্স আগামী ছয় থেকে সাত সপ্তাহের মধ্যে অনুদানের ২৫ কোটি ডোজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পাওয়ার আশা করছে। বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একথা জানিয়েছে।
বিশ্ব এখন করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের শুরুর ধাপে রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) প্রধান টেডরস আধানম গেব্রিয়াসিস বুধবার এ কথা বলেন।
করোনার সংক্রমণের ক্ষেত্রে বিশ্ব এখন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। কারণ, বিশ্বময় অসম টিকা কর্মসূচির কারণে দ্রুত সংক্রমণশীল ভেরিয়্যান্ট ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে। সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা এ খবর জানিয়েছে।
নতুন ভ্যারিয়েন্টের করোনার প্রকোপ রোধে শতকরা ৮০ শতাংশ ভ্যাকসিনেশন কভারেজ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মুখপাত্র।