করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের ২০০ মিলিয়নের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সাথে এর প্রভাবে ২০২০ সালের মধ্যে ১৩২ মিলিয়নের বেশি মানুষ ক্ষুধার্ত হয়ে পড়বে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) বলেছে, বিশ্বজুড়ে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাবার এই পরিস্থিতিতে অদূর ভবিৎষতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফেরার সম্ভাবনা নেই।
বিশ্ব স্বাস্থ্য স্বীকার করেছে যে, বাতাসে ভেসে থাকা ক্ষুদ্র কণার মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ানোর প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু ত্যাগ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মে মাসেই সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন যে আমেরিকা আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পথ আলাদা হতে চলেছে।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারাবিশ্ব এখন বিপর্যস্ত। সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন ধরণের মাস্ক ব্যবহার করছেন সচেতন মানুষ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী ড: সৌম্য স্বামীনাথন সাফ জানিয়ে দিলেন পরবর্তী বছর শেষের আগেই তৈরি হয়ে যাবে ২০০ কোটি করোনা প্রতিষেধক।
চীনের ল্যাব থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে এমন প্রমাণ দেখেছেন বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করার পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) শুক্রবার নতুন করোনাভাইরাস ল্যাবে নয় ‘প্রাকৃতিক উৎস’ (ন্যাচারাল অরিজিন) থেকে ছড়িয়ে পরার কথা পুনর্ব্যাক্ত করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হুঁশিয়ার করেছে যে, করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট মহামারি আরো "বেগবান" হচ্ছে। এ পর্যন্ত তিন লাখের বেশি মানুষ এতে আক্রান্ত হয়েছে।
করোনা ভাইরাসের কারণে প্রয়োজনে বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা জারির পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
চীনে ভাইরাসের প্রভাবে মৃত্যু ছাড়াল ১১০০। বিশ্বের সব চেয়ে বড় শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা হোক করোনা ভাইরাসকে।