বিশ্বব্যাংক ২০২৫ সালের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ পয়েন্ট কমিয়েছে। সংস্থাটির মতে, এ বছর বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে ২ দশমিক ৩ শতাংশ হবে।
বিশ্বব্যাংক
বাংলাদেশকে ২৭ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা (প্রতি ডলার সমান ১২১ টাকা ৬০ পয়সা ধরে)। ‘বাংলাদেশ সাসটেইনেবল ইমার্জেন্সি রিকভারি প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স প্রকল্প’ (বি-স্ট্রং) বাস্তবায়নের জন্য এই ঋণ দেওয়া হবে।
বাংলাদেশের বন্যা ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক ২৭০ মিলিয়ন ডলারের অর্থ সহায়তার অনুমোদন দিয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন, কৃষি পুনরুদ্ধার ও জীবিকা উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয় হবে।
মারাত্মক আর্থিক সংকট কাটিয়ে অর্থনীতি ‘উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়ালেও’ নগদ অর্থ সংকটে থাকা শ্রীলঙ্কার প্রায় এক চতুর্থাংশ মানুষ এখন দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক করার লক্ষ্যে বাংলাদেশকে ৮৫ কোটি ডলার ঋণ দিবে বিশ্বব্যাংক। দেশীয় মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ১০ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।
বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি আরও নিচের নামবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির মতে, চলতি অর্থবছর (২০২৪-২৫) শেষে মাত্র ৩.৩ শতাংশে নেমে আসবে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি।
দেশের অন্যতম উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) পরিদর্শন করেছেন বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিনিধি দল।
বাংলাদেশ সফরে আসছেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইজার। চারদিনের সফরে ঢাকায় আসছেন তিনি। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১ শতাংশে নেমে আসবে বলে ধারণা করছে বিশ্বব্যাংক। গত জুন মাসে সংস্থাটি বলেছিল, এই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। এর আগে একই ধরনের তথ্য দিয়েছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
বিশ্বব্যাংক থেকে ১.১৬ বিলিয়ন বা ১১৬ কোটি ডলার ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ১৩ হাজার ৯২০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে)।