মুসলিম

মুসলিম সমাজের বিরোধ নিরসনে করণীয়

মুসলিম সমাজের বিরোধ নিরসনে করণীয়

মুসলমান পরস্পরের ভাই। সুতরাং তারা পারস্পরিক সংঘাত পরিহার করবে। পবিত্র কোরআন এবং  হাদিসে বিশেষত দ্বিনি বিষয়ে বিরোধ ও সংঘাত অত্যন্ত অপছন্দনীয় বিষয়। 

ইসলামে মুসলিম ও অমুসলিম সম্পর্কের মূলনীতি

ইসলামে মুসলিম ও অমুসলিম সম্পর্কের মূলনীতি

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান, যা মুমিনদের পারস্পরিক সম্পর্কের পাশাপাশি অমুসলিমদের সঙ্গে আচরণের ক্ষেত্রেও ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে বিস্তৃত নির্দেশনা প্রদান করে।

অমুসলিম শিশুরাও যে কারণে জান্নাতে যাবে

অমুসলিম শিশুরাও যে কারণে জান্নাতে যাবে

শিশুরা নিষ্পাপ। যে ঘরেই সে জন্মগ্রহণ করুক, তার কোনো পাপ নেই। ইসলামি শরিয়তমতে, মুসলিম-অমুসলিম যার ঔরসেই সন্তানের জন্ম হোক, নাবালেগ অবস্থায় সে একজন মুসলমান। পরে বড় হলে পিতা-মাতা ও পরিবেশ তাকে ইহুদি খ্রিস্টান বা মুশরিক বানায়। এ সম্পর্কে আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত হাদিসে এসেছে- كُلُّ مَوْلُودٍ يُولَدُ عَلَى الفِطْرَةِ، فَأَبَوَاهُ يُهَوِّدَانِهِ، أَوْ يُنَصِّرَانِهِ، أَوْ يُمَجِّسَانِهِ، كَمَثَلِ البَهِيمَةِ تُنْتَجُ البَهِيمَةَ هَلْ تَرَى فِيهَا جَدْعَاءَ ‘রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন,

কোরআনে মুসলমানদেরকেই মুসলিম হওয়ার নির্দেশ

কোরআনে মুসলমানদেরকেই মুসলিম হওয়ার নির্দেশ

প্রকৃত মুসলিম মুখে দাবি করার বিষয় নয়। এর জন্য ঈমানের বিশুদ্ধতা জরুরি। তাই মহান আল্লাহ ঈমানদারদের প্রকৃত মুসলমান হওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন- ‘یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اٰمِنُوۡا بِاللّٰهِ وَ رَسُوۡلِهٖ وَ الۡكِتٰبِ الَّذِیۡ نَزَّلَ عَلٰی رَسُوۡلِهٖ وَ الۡكِتٰبِ الَّذِیۡۤ اَنۡزَلَ مِنۡ قَبۡلُ ؕ وَ مَنۡ یَّكۡفُرۡ بِاللّٰهِ وَ مَلٰٓئِكَتِهٖ وَ كُتُبِهٖ وَ رُسُلِهٖ وَ الۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ فَقَدۡ ضَلَّ ضَلٰلًۢا بَعِیۡدًا ‘ 

মুসলিম দেশে অমুসলিম নাগরিকের অধিকার

মুসলিম দেশে অমুসলিম নাগরিকের অধিকার

বিরোধ, বৈপরীত্য ও বৈচিত্র্য মানব মনের সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্য। এটি রোধ করা সম্ভব নয়। এই বিরোধের চূড়ান্ত মীমাংসা হবে পরকালে। তাই দুনিয়ার জীবনে যথাসাধ্য সহাবস্থানের বিকল্প নেই।