ইসরাইল ও হামাস একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ইসরাইলি জিম্মি ও ফিলিস্তিনি কারাবন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে।
যুদ্ধবিরতি
ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পথ সহজ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের শর্তে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল-হামাস। এ খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে গাজার রাস্তায় নেমে উল্লাস করছেন ফিলিস্তিনিরা।
ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশ জোরালো হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতারের কাছ থেকে যে কোনো সময় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসতে পারে।
ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। টানা ১৫ মাস ধরে চালানো এই হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৪৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি।
একদিকে কাতারের দোহায় চলছে যুদ্ধবিরতির আলোচনা, অন্যদিকে ফিলিস্তিনের গাজায় নিজেদের ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। সবশেষ শুক্রবারও দখলদার বাহিনীর হামলায় প্রাণ ঝরেছে আরও ৭৩ ফিলিস্তিনির। এ নিয়ে গাজায় যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরু হওয়ার পর গত দুই দিনে ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৫০ জন ফিলিস্তিনি।
গাজায় ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি মুক্তির আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় আবারও ফেরার ঘোষণা দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার।
যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লার গুলি বিনিময় হয়েছে।
লেবাননে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার চার দিন অতিবাহিত হলেও ইসরায়েলি বাহিনী অব্যাহতভাবে এ চুক্তি লঙ্ঘন করে চলেছে।
লেবাননে যুদ্ধবিরতির ফলে এবার ফিলিস্তিনি শান্তি দেখতে চায় বিশ্ব। কিন্তু এখনো সেখানে ভয়ংকর হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল।