তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, পরিবেশের সমস্যা কেবল একটি অর্থবছরের বা পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বিষয় নয়, এটি মানব সভ্যতার অস্তিত্বের সংকট।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, পরিবেশের সমস্যা কেবল একটি অর্থবছরের বা পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বিষয় নয়, এটি মানব সভ্যতার অস্তিত্বের সংকট।
জুলাই সনদ নিয়ে কোনো ধরনের অপরাজনীতি সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, বিএনপি এই সনদের পক্ষে রয়েছে এবং এর প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে দলটি অঙ্গীকারবদ্ধ।
ভালো মানুষদের বেশি করে রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি ও কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম খান বাবুল। তিনি বলেন, ভালো মানুষ রাজনীতিতে এলে তবেই খারাপ মানুষরা সরে যেতে বাধ্য হবে।
এই মুহূর্তে যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তিপূর্ণ পন্থায় সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
এবারের স্বাধীনতা দিবস অনেকটাই স্বস্তিকর পরিবেশে উদযাপন হতে যাচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দলের পরাজয়ের পর এবারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হতে যাচ্ছে। একাত্তরের পরাজিত শক্তি আলবদর, আলশামস আর রাজাকারদের পৃষ্ঠপোষক একটি দল গত দেড় বছরে আমাদের আবার নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিল, দেশে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের অবস্থান এখনো বহাল রয়েছে। দেশের একটা ক্রাইসিসের মধ্যে মাথা উঁচু করে তারা নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছিল।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, প্রতিশোধের রাজনীতি বহু হয়েছে এবার থামতে হবে। প্রতিশোধের খেলা কেউ না কেউ বন্ধ করতে হবে।
বিএনপি মানুষের উপকারের রাজনীতি করে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আমরা এমন একটা দল করি, যে দলের কাজ হচ্ছে মানুষের উপকার করা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, বিএনপি যখন এ সরকারের দায়িত্ব নিয়েছে, তখন দেশের মানুষের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও মৌলিক অধিকারসহ সব অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে।
নৈতিকতা ও আদর্শভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের মানুষের আস্থা অর্জন করতে চায় গণঅধিকার পরিষদ—এমন মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিভিন্ন সময়ে ক্রীড়াঙ্গনে একটি স্লোগান শুনেছি। সেটি হলো, ‘রাজনীতিমুক্ত ক্রীড়াঙ্গন চাই।’ এই স্লোগান এত বছরে কার্যক্ষেত্রে কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে—এই বিশ্লেষণে যাওয়ার আগে যেটি গুরুত্বপূর্ণ, সেটি হলো এই স্লোগানে কী বোঝাতে চাওয়া হয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনে কোন বার্তা দেওয়া হয়েছে।