আমের মৌসুমে ভোজনরসিকরা পাকা আমের বাহারি সব পদ তৈরি করে থাকেন। এর মধ্যে পাকা আমের পায়েস অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সুস্বাদু একটি ডেজার্ট।
রান্নার রেসিপি
বাজারে চলে এসেছে কাঁচা কাঁঠাল বা এঁচোড়। শুধু এঁচোড়ের তরকারি বাসায় রান্না করেছেন অনেকেই, কিন্তু অল্প একটু গরুর মাংস এর স্বাদ বাড়িয়ে দিতে পারে কয়েক গুণ।
ঈদ মানেই নানা মিষ্টি স্বাদের খাবার। আর সেই তালিকায় সেমাই তো থাকবেই। সেমাইয়ের সুস্বাদু নানা পদ জিভে জল আনবেই।
রোজায় দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার আগে সেহরির খাবার হতে হবে পুষ্টিকর, সহজপাচ্য এবং তৃপ্তিদায়ক।
স্বাদে ভিন্নতা, পুষ্টিগুণে ভরপুর আর রান্নাতেও সহজ। একবার খেলে এর স্বাদ সহজে ভুলতে পারবেন না। রইলো রেসিপি-
শীতে রান্নাঘরে মটরশুটির আলাদা কদর থাকে। সহজলভ্য হওয়ায় মাছ, পোলাও কিংবা সবজির তরকারিতে এটি প্রায় সব জায়গায় ব্যবহার হয়।
শীত যতই গভীর হয়, বাঙালির রান্নাঘরের ঘ্রাণে ততই বদলে যায় তাল-লয়। কুয়াশা ঢাকা জানালার ধারে বসে ভাত বা খিচুড়ির সাথে গরম গরম হাঁসের মাংস—এ যেন শীতের আনন্দের চূড়ান্ত পরিচয়।
যে কোনো উৎসবে মুরগির মাংসের একটা পদ রাখা চাই। মুরগির মাংসের ঝোল, ভুনা কিংবা রোস্ট না থাকলে, পুরো উৎসবই যেন মাটি হয়ে যায়।
বড় মাছের ঝোল প্রায় প্রতিটি ঘরেই রান্না হয়। মাছে-ভাতে বাঙালি বলে কথা! তবে চাইলে পরিচিত এই রান্নায় আনা যায় ভিন্ন মাত্রা।
ঈদে মজাদার পেশোয়ারি বিফ রান্না করে ফেলতে পারেন। এই রান্না করলে লাগে না তেল বা মসলা। রেসিপি জেনে নিন।