নোয়াখালীতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। গত ৫ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ২০ জন। এর মধ্যে বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আক্রান্ত হয়ে ১৫ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ীতে ফিরে গেছেন ৭ জন। এছাড়া নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮ জন এবং এদের মধ্যে ২ জন সুস্থ হয়ে ফিরে গেছেন।
রোগী
চট্টগ্রামে একদিনের ব্যবধানে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চারগুণের বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে হাসপাতালে। দিনদিন ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় হাসপাতালগুলোতেও চাপ বেড়েছে রোগী ভর্তির।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।রোববার (৯ জুলাই) সকালে হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সুভাষ রঞ্জন হালদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চলতি বছর দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়েছে।
রাজশাহীতে বছর এই প্রথম পাপ্পু (২৫) নামে একজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। পাপ্পু রাজশাহীর বাঘা উপজেলার ঢাকাচন্দ্রগাঁতি গ্রামের সাহেব এর ছেলে।
মারাত্মক রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রাণহানিও। ডেঙ্গু মৌসুম আসার আগেই এ বছরে ইতিমধ্যে সর্বোচ্চ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ইতোমধ্যে জুলাই মাসের প্রথম সাত দিনেই ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।
বাগেরহাটে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। গত দুই সপ্তাহে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়েছে ২০ জন। বৃহস্পতিবার নতুন করে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ৫ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়েছে। বিকেল পর্যন্ত জেলা হাসপাতালে ৮ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন
ঈদের দিন সকালে জ্বর উঠে জেসমিন আক্তারের সন্তানের। এর তিন দিনের মধ্যে তিনি নিজেও জ্বরে আক্রান্ত হন। সমস্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে টেস্ট করে মা-ছেলে দুজনেরই ডেঙ্গু ধরা পড়ে।
দেশে ডেঙ্গু রোগীর ৩৫ শতাংশই শিশু এবং ৬১ শতাংশের বয়স ৩০ বছরের নিচে। চলতি বছরের ৪ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ৯ হাজার ৮৭১ রোগীর তথ্য পর্যালোচনা করে এই চিত্র পাওয়া গেছে।
বিএমডিসির কোড অব মেডিকেল এথিকসে লেখা রয়েছে, ‘’আমি রোগীদের স্বাতন্ত্র্য এবং মর্যাদাকে সম্মান রক্ষা করবো’’ এবং ‘’রোগীর মৃত্যু হলেও তার গোপন তথ্য কোনরকম প্রকাশ করবো না।’’