চীনে করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। দেশজুড়ে মঙ্গলবার নতুন করে ৪ হাজার ৭৭০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।
এদিকে বাণিজ্যিক কেন্দ্র শেংইয়াঙে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সোমবার রাতে সেখানে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে কর্তৃপক্ষ অব্যাহত লকডাউনের কারণে প্রবৃদ্ধিতে সংকট তৈরির বিষয়ে সতর্ক করেছে।
লকডাউন
করোনা লকডাউনের সময় একের পর এক পার্টি হয়েছে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বাড়ি ১০ ডাউনিং স্ট্রিট এবং হোয়াইট হলে। গত কয়েকমাসে পার্টিগুলির কথা সামনে এসেছে। যার জেরে ঘরে বাইরে চাপের মুখে পড়েছে বরিস জনসন।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পদত্যাগ দাবি করছেন তার নিজের দলের শীর্ষ নেতারা।ব্রিটেনে ২০২০ সালে যখন কঠোর লকডাউন চলছিল সে সময় প্রধানমন্ত্রীর দফতর এবং বাসা ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে একটি মদের পার্টি হয়, যাতে যোগ দিয়েছিলেন জনসন।
মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকলেও লকডাউনের মত কঠোর বিধিনিষেধ না দিতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন।
ফের লকডাউন দেয়ার কোনো পরিকল্পনা এখনও নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে টিকা গ্রহণ এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
করোনাভাইরাসের নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন সংক্রমণ বেড়ে গেলে লকডাউনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সংক্রমণের হার যেভাবে আবার বাড়তে শুরু করেছে সরকার আবারো লকডাউন সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে এই মুহূর্তে সরকারের লকডাউন দেয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই।
করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়া পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ লকডাউন হবে কি না, সে বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী জাহিদ মালেক।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও নিয়ন্ত্রণে যে লকডাউন জারি করা হয়েছিল, সেটি তুলে নেয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি কমিটি বলছে, সরকার তাড়াহুড়ো করে বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। এর ফলে সংক্রমণ আবার বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আবারো কঠোর 'লকডাউন' বা বিধিনিষেধ আরোপের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেছেন, করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে আবারো 'লকডাউন' আরোপ করা হবে।