কেউ চেয়েছেন রংপুর, কেউ আদাবর। নানা বিতর্কের পর অবশেষে বনানীর সামরিক কবরস্থানেই দাফন করা হবে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মরদেহ।
শাদ
চলে গেলেন বাংলাদেশের উন্নয়নের কারিগর কিংবদন্তি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আজ ১৪ জুলাই সকাল পৌনে ৮টায় ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন তিনি।
রাষ্ট্রধর্মের প্রসঙ্গ এলেই চলে আসে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নাম। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকের ধর্মীয় মূল্যবোধের বিষয়টি বিবেচনা করে ১৯৮৮ সালে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষনা করেছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জানাজা চার স্থানে অনুষ্ঠিত হবে। দলের মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙা গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ শঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন তার ভাই ও জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান জি এম কাদের। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন লাইফ সাপোর্টের কারণে এরশাদের শরীরের কিছু ক্ষেত্রে
তিনি চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বলেন, চিকিৎসকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী শারীরিক উন্নতি হচ্ছে না তার। তবে, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে বিশ্বমানের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন।
ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিত্সাধীন জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এইচএম এরশাদ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হয়েছে।