শসা মানেই গরমের খাবার, এমন ধারণা আমাদের অনেকেরই। তাই শীত এলেই ঠান্ডা লাগা, গ্যাস বা বদহজমের আশঙ্কায় শসা খাওয়া বন্ধ করে দেন অনেকে।
শীতকালে
শীতকালে অনেকেই ডাবের পানি খান না। অনেকের ধারণা, শীতে ডাবের পানি খেলে ঠান্ডা লেগে যাবে। কিন্তু এটি ভ্রান্ত ধারনা। বরং শীতকালে ডাবের পানি খেলে অনেক উপকারিতা মিলবে।
দেশে শীতের শুরুতে তীব্রতা কিছুদিন কম থাকলেও গত কয়েক দিনে হঠাৎ করেই ঠান্ডা বেড়ে গেছে। ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে দেশে। এমন আবহাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে নানা শারীরিক সমস্যায় ভোগেন অনেকেই।
শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতকালে স্ট্রোকজনিত অসুস্থতা এবং মৃত্যুর হার অনেক বেশি থাকে।
শীত এলেই খাবার নিয়ে নানা রকম ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে পড়ে। তার মধ্যে অন্যতম প্রচলিত একটি হল-শীতকালে শসা খেলে ঠান্ডা-কাশি হয়।
শীতকালে অফিস, কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হতে চান না কেউ। জরুরি প্রয়োজন সেরে ঘরে বসে, শুয়ে কাটাতেই পছন্দ করেন। শীতের সময়গুলো অলসতা, ঘুম, আড়মোড়া ভাব নিয়েই কেটে যায়।
ফলমূলকে সবচেয়ে পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা প্রায় সব ঋতুতেই খাওয়া যেতে পারে।
শীতের রাত ঘুমের সময় গরম রাখতে রুম হিটার অনেকেরই ভরসা। কিন্তু সামান্য অসতর্কতা থেকেই হতে পারে অগ্নিকাণ্ড, শ্বাসকষ্ট, কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়া কিংবা ত্বক-স্বাস্থ্যের জটিলতা।
শীতের মৌসুমে বাজারে সহজেই মিলছে শালগম। সাদা-বেগুনি রঙের সবজিটি শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর।
শীতকাল মানেই নানা ধরনের সবজি। আর সবজির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা চাই। অনেকে তো এই ঋতুতে ধনেপাতা ছাড়া রান্নার কথা ভাবতেই পারেন না।