শীতের আগেই অনেক মানুষ পা ফাটার সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষ করে গোড়ালি ফেটে গেলে হাঁটতেও অসুবিধা হয়। বাজারের পেডিকিউর সবসময় কার্যকর নাও হতে পারে।
শীতে
মৌসুম বদলের সময়ে বেড়ে যায় সংক্রমণ জনিত নানা রোগব্যাধি। বিশেষত হাঁপানি বা সিওপিডিতে ভোগা ব্যক্তিদের বেশি কষ্ট হয়। ঠান্ডার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট।
দেশের আবহাওয়ায় ইতোমধ্যেই পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। রাত নামতেই ঠান্ডা অনুভব হচ্ছে, অনেকেই এখন চাদর গায়ে নিচ্ছেন, বন্ধ রাখছেন ফ্যান। তবে এই আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে শরীরে দেখা দিচ্ছে নানা সমস্যা। বিশেষ করে বাত বা জয়েন্টের ব্যথা।
শীতকাল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা আবহাওয়া, ছোট দিন এবং নানা কাজের চাপ আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে কিছু সচেতন সমন্বয়ের মাধ্যমে আপনি ঠান্ডা ঋতু জুড়ে নিজেকে সুস্থ ও উজ্জীবিত রাখতে পারেন।
শীত মানেই হিমেল বাতাস, কনকনে ঠান্ডা। একটু গরম পেতে অনেকেই গরম পানীয়তে চুমুক দেন, গরম পোশাক পরেন। এরপরও কিছু মানুষ শীতের সময়েও অস্বস্তিকরভাবে ঘেমে যান। ব্যাপারটা অদ্ভুত লাগলেও এর পেছনে কিছু বাস্তব কারণ রয়েছে।
শীতকাল মানেই ঠাণ্ডা, ধুলা ও সংক্রমণের বাড়াবাড়ি। এ সময় নবজাতক ও ছোট শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে দুর্বল থাকে। ফলে সর্দি–কাশি ও ফ্লুয়ের মতো সমস্যা লেগেই থাকে। তাই এই মৌসুমে শিশুদের সুস্থ রাখতে এবং সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে বাড়িতেই কিছু সহজ ও ঘরোয়া যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
শীত এলেই হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই আগে থেকেই সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ, সামান্য কিছু ভুলেই বিপদ নেমে আসতে পারে। শীতে অনেকেই গরম পানি দিয়ে গোসল করেন।
শীতের শুরু মানেই বাতাসে শুষ্কতা। এ সময় মুখের ত্বকের সঙ্গে ঠোঁটও হারায় আর্দ্রতা।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি অবরোধে ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ কমেনি।
প্রকৃতি থেকে গরমকাল চলে যাওয়া এবং শীতের আগমনের মাঝে যে সময়টা, তাতে মুখে হাতে পায়ে টান ধরাটা ভীষণ স্বাভাবিক। শীতের আগমনের আগে যদি আপনি আপনার ত্বকের বিশেষ যত্ন নিতে পারেন তাহলে আপনার হাত হয়ে উঠবে উজ্জ্বল।