ঋতুচক্র থেকে বিদায় নিয়েছে বর্ষা। এসেছে হেমন্ত। সেই সঙ্গে বাতাসে কড়া নাড়ছে শীত। আর তার সঙ্গে আলমারিতে রাখা লেপ-কম্বল, শীতের পোশাক বের করার সময় হয়েছে। দীর্ঘদিন শীতের পোশাক বা কাঁথা-কম্বল আলমারিতে রাখলে স্যাঁতস্যাঁতে গন্ধ হয়।
শীতে
ইরানে তীব্র শীতের কারণে জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য কর্তৃপক্ষ রবিবার কমপক্ষে ১০টি প্রদেশের স্কুল এবং অফিস বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
শীতের দিনে সবাইকেই কম-বেশি আলস্য পেয়ে বসে। হালকা হিমেল বাতাসে একবার ওম পেলে আর বিছানা ছাড়তে মন চায়। ব্যায়াম করার উৎসাহও কমে যায় এসময়। এদিকে নানারকম পিঠা পুলি খাওয়ার উপযুক্ত সময় এটি।
সারাদেশে কুয়াশার সঙ্গে রয়েছে শীতের অনুভূতি। এরই মধ্যে ঢাকাসহ দেশের ৪টি বিভাগের বেশকিছু অঞ্চলে দুদিন বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে এই সময়ে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে চুয়াডাঙ্গা। ঠান্ডা বাতাস আর শীতের দাপটে কাবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। দেখা মেলেনি সূর্যের। শীতের তীব্রতা বাড়ায় ভোগান্তি বেড়েছে সাধারণ মানুষের। কনকনে ঠান্ডা ও বাতাসে মানুষের পাশাপাশি পশুপাখি কাবু হয়ে পড়েছে।
শীতের তীব্রতা বাড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন দেশের উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রামের হতদরিদ্র ও ছিন্নমুল মানুষজন। অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টাও করছে। কয়েকদিন থেকে সকালে ও রাতে ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে গোটা জনপদ।
ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে কাঁপছে পঞ্চগড়। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে উত্তর থেকে বয়ে আসা কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস। রবিবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় পঞ্চগড়ে তেতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৫ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ১০০ শতাংশ।
কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠাণ্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। টানা ছয়দিন ধরে জেলায় সূর্যের দেখা মিলছে না। বিকেল হতেই নেমে আসে অন্ধকার। এছাড়া হিমশীতল বাতাসে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
নওগাঁয় ঘন কুয়াশার সঙ্গে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডা বাতাসে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। দিনের বেলায় সূর্যের দেখা মিললেও সন্ধ্যার পর রাতে ঠান্ডার প্রভাব বেশি থাকছে। তীব্র ঠান্ডা এবং হিমেল বাতাসের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছে এ অঞ্চলের মানুষ।
শীত এলেই বেড়ে যায় সর্দি-কাশি, অ্যালার্জির সমস্যা। ওষুধ খেয়েও কমতে চায় না। কিন্তু অ্যালার্জির সঙ্গে আপস করা যায় না। একমাত্র যারা ভুক্তভোগী তারাই জানেন অ্যালার্জি কতটা মারাত্মক হতে পারে।