শ্রীলঙ্কার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পরপরই রনিল বিক্রমাসিংহে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। এছাড়া ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সে কারফিউ জারি করেছেন।
শ্রীলঙ্কা
শেষ পর্যন্ত গভীর রাতে দেশ ছেড়ে পালালেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। বুধবার গভীর রাতে সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে উদ্ধৃত করে তেমনটাই দাবি করেছে একাধিক সংবাদমাধ্যম।
শ্রীলঙ্কায় নতুন প্রেসিডেন্ট কে হচ্ছেন, তা নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন চলছে। আজ বুধবারই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের পদত্যাগপত্র গৃহীত হবে।
হাজারো বিক্ষোভকারী দখল করে আছে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের বাসভবন, তার কার্যালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন।১৯৪৮ সালের পর সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক দুর্দশায় পতিত হওয়া দ্বীপরাষ্ট্রটিতে চরম বিশৃঙ্খলা শুরু হয় শনিবার।
শ্রীলঙ্কায় এই মুহূর্তে যে নজিরবিহীন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সঙ্কট চলছে তাতে তাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী দেশ ভারত কেন আরো সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে না বা নিতে পারছে না- তা নিয়ে নানা মহলেই প্রশ্ন উঠছে।
শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী কলম্বোতে এখন শান্ত অবস্থা ফিরে এসেছে। তবে বিক্ষোভকারীরা এখনো প্রেসিডেন্টের বাসভবনে অবস্থান করছে। প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করার কথা ঘোষণা করার পর এখন উত্তেজনা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে।
গণবিক্ষোভে শ্রীলঙ্কায় উথালপাতাল পরিস্থিতি। প্রাসাদ ছেড়ে পালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন রনিল বিক্রাসিংহ। আর্থিকভাবে ধুঁকতে থাকা দ্বীপরাষ্ট্রে বিক্ষোভের আগুন ক্রমশ চড়ছে।
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে আজ শনিবার তার সরকারি বাসভবন ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। বিক্ষোভকারীরা বলপূর্বক তার বাড়িতে প্রবেশ করলে তিনি পালিয়ে যান বলে খবরে প্রকাশ।
বিক্ষোভ ঠেকাতে শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী কলম্বোতে কারফিউ জারি করা হয়েছে। দেশটিতে অর্থনৈতিক সঙ্কটের জের ধরে অব্যাহত অসন্তোষের জের ধরে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শনিবার ছাত্ররা যে বিক্ষোভের আয়োজন করার পরিকল্পনা করেছিল, তা দমন করতে শ্রীলঙ্কার পুলিশ এ ঘোষণা দিয়েছে।
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে শ্রীলঙ্কা এখন এমন অবস্থায় যে প্রধানমন্ত্রীও আপাতত কোনো আশার আলো দেখছেন না৷ দেশের নাগরিকদের মাঝেও মহামারির মতো ছড়াচ্ছে দেশ ছাড়ার প্রবল ইচ্ছা৷