গত শনিবার থেকে মেঘ আর বৃষ্টির দাপটে সারাদেশ থেকে দাবদাহ অনেকটা বিদায় নিয়েছে। এখন শুরু হচ্ছে কালবৈশাখীর দাপট। এমন আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্ত। ঝড় বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় দেশের সব নদীবন্দরে তোলা হয়েছে সতর্কতা সংকেত।
সতর্কতা
দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই নদীবন্দর ভেদে দুই নম্বর ও এক নম্বর সতর্কতা সংকেত তোলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
দেশের ২০টি অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য সেসব এলাকার নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্ক সংকেত তোলা হয়েছে। রবিবার এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ সময় সারা দেশে তাপমাত্রা বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে সাত জেলার ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাসও দেয়া হয়েছে।
বর্তমান পৃথিবীতে একের পর এক বিপর্যয় ঘটেই চলেছে। কখনো ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আবার কখনো ভূমিকম্প। এসব কিছু ঈমানদারদের জন্য আল্লাহ তায়ালার পরীক্ষা হতে পারে অথবা রবের অবাধ্যতায় লিপ্ত মানুষের জন্য সতর্কতা বার্তাও হতে পারে।
দ্বীপরাষ্ট্র টোঙ্গায় আবারও সাত দশমিক তিন মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এরই মধ্যে দেশটির সরকার সেখানের নাগরিকদের সরে যাওয়া নির্দেশ দিয়েছে।
ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার দুটি প্রতিষ্ঠানের ১২টি সিরাপ ব্যবহারে সতর্কতা জারি করেছে সরকার।
বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের কারণে চার সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে উপকূলীয় জেলায় জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
দেশে ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) রাতে এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
লঘুচাপের প্রভাবে গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হয়েছে। তাই সমুদ্রবন্দরগুলোয় তোলা হয়েছে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত। সোমবার (৩ অক্টোবর) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।