সোমবার যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই করেছিল সুদানের যুযুধান দুই পক্ষ। মঙ্গলবার তা অমান্য করেই দুপুর পর্যন্ত তারা লড়াই চালিয়ে গেছে। তবে বিকেলের পর থেকে ধীরে ধীরে লড়াইয়ের তীব্রতা কমেছে।
সুদানে
সুদানে লড়াইরত সামরিক বাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনী ফের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।রোববার (২১ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সুদানের সেনাবাহিনী এবং র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) আধাসামরিক গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৮২২ বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় চিকিৎসকরা এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
সুদানে বিবদমান দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা সমঝোতা আলোচনা করতে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। শনিবারই সুদান সেনাবাহিনী ও দেশটির আধা সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমঝোতা আলোচনা পূর্বক বৈঠক হওয়ার কথা।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে, সুদানের রাজধানী খার্তুমে ত্রাণ-সহায়তা পৌঁছে দিতে তারা সংগ্রাম করছে। আর অনেক এলাকায় তারা তীব্র সংঘর্ষ দেখছে এবং একাধিক ব্যর্থ অস্ত্রবিরতি প্রত্যক্ষ করেছে।
সঙ্কটাপন্ন সুদান থেকে এ পর্যন্ত ৬৭৫ জন বাংলাদেশী নাগরিক খার্তুম থেকে পোর্ট সুদানে পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক পোস্টে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘যাদের পাসপোর্ট নেই, তাদের ট্রাভেল পারমিট সরবরাহ করা হয়েছে।’
সুদানে অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধ বিরতি এবং শান্তি প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। সুদান পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক জরুরি সভায় সুদানের সশস্ত্র বাহিনী এবং সুদান র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) প্রতি বাংলাদেশ এ আহ্বান জানায়।
সুদান থেকে প্রত্যাবর্তনকারী বাংলাদেশীদের সৌদি আরবের বেঁধে দেয়া ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই দেশে ফেরত পাঠানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে বলে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী সৌদি কর্তৃপক্ষকে প্রাথমিক নিশ্চয়তা প্রদান করেন।
সুদানের সামরিক বাহিনী ও আধা-সামরিক বাহিনী ৭ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।মঙ্গলবার (২ মে) সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সুদানে সংঘর্ষ বিরতির মেয়াদ আরো ৭২ ঘণ্টা বাড়ালো সেনা ও আধা সামরিক বাহিনী। আরো বেশি মানুষ সুদান ছাড়ছেন।