শীতকাল শুরু হলে বাজারে দেখা মেলে সাদা, কচকচে মুলার। সাধারণত আমরা এটি সালাদ বা তরকারি হিসেবে খাই, তবে মুলা দিয়ে বানানো যায় এক মনভোলানো নাশতা ‘মুলার পাকোড়া’।
সুস্বাদু
চিংড়ি পছন্দ করেন না-এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। কারও প্রিয় কড়কড়ে চিংড়ি ভাজা, কারও আবার শুকনা চিংড়ির বালাচাও পছন্দ করে।
শীতকাল এলেই নানান ধরনের খাবার খাওয়ার ইচ্ছে হয় সকলের। এছাড়াও শীতকালে রাঙা আলু পাওয়া যায়।
যদিও শীতকাল হলো পিঠা খাওয়ার মৌসুম এবং শীতও আসি আসি করছে, তবু কিছু পিঠা আছে যেগুলো সারা বছরই খেতে ভালোলাগে।
মিষ্টি পছন্দ করেন না— এমন মানুষ খুব কমই আছেন। মিষ্টি দেখলেই লোভ সামলাতে পারেন না।
আমাদের অনেকেরই মাঝেমধ্যেই নতুন কিছু খেতে চায়। বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নিতে রেস্টুরেন্টের পথ ধরে।
গাজরের কেক একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর মিষ্টান্ন। বিশেষ করে শীতকালে গাজর পাওয়া গেলে এটি ঘরে তৈরি করা যায় খুব সহজেই।
সকাল সকাল রুটি, পরোটা, ভাজি আর ডিমের নাশতা থেকে মাঝে মধ্যে একটু আলাদা কিছু হলে খাওয়ার রুচি বাড়ে।
মোগলাই শুনলেই মনে হয় ডুবো তেলে মুখরোচক খাবারের কথা মনে হয়। শুধু নামেই রাজকীয় নয়, মোগলাই চিকেন স্বাদেও অতুলনীয়!
গোলাপজাম অনেকটা গুলাব জামুনের মতো, তবে এর ভেতরটা নরম আর হালকা লালচে–বাদামি হয়।