হালাল রিজিকের মাধ্যমে একজন মুসলিম মানসিক প্রশান্তি ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করে। বৈধ উপায়ে উপার্জন করার ফলে মানুষ আভ্যন্তরীণ শান্তি অনুভব করে এবং আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকে।
- ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি
- * * * *
- বিকেলে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ করবে জামায়াত
- * * * *
- ‘আমি এখন পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্কে জড়াইনি’-মেঘনা আলম
- * * * *
- ‘আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম’
- * * * *
- ‘শিক্ষা শুধু সার্টিফিকেট অর্জন কিংবা জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম নয়’
- * * * *
হালাল
হালাল রিজিক মানে এমন উপার্জন যা ইসলামিক বিধান অনুযায়ী বৈধ উপায়ে অর্জিত এবং যার মধ্যে হারাম বা অবৈধ কিছু নেই। এর অর্থ হচ্ছে এমন কোনো উপার্জন গ্রহণ করা যাবে না যা আল্লাহ এবং তার রাসূল (সা.) নিষিদ্ধ করেছেন।
আল্লাহ তায়ালা খাদ্যকে মানুষের জন্য জরুরি উপকরণ করেছেন। খাদ্য গ্রহণ ছাড়া মানুষ বাঁচে না। খাদ্যের মাধ্যমে শরীরের সুস্থতা ও ভারসাম্য ঠিক থাকে। তাই এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মানব সমাজকে ইসলাম লাগামহীন ছেড়ে দেননি।
আল্লাহ তাআলা মানুষের জন্য কিছু পশু-প্রাণী ও পাখির গোশতে কল্যাণ ও উপকার রেখেছেন। যেমন- গরু, ভেড়া, ছাগল, হাঁস-মুরগি ইত্যাদি। এসব পশু-পাখির গোশত খাওয়া হালাল।
খরগোশের গোশত হালাল নাকি হারাম? এই প্রশ্ন এখন অনেকেই করে থাকেন। কারণ, ইদানীং কিছু কিছু রেস্তোরাঁয় খরগোশের গোশতের বিভিন্ন খাবার পাওয়া যায়। কেউ কেউ এই প্রাণীটির গোশতের কাবাব খেতেই বেশি পছন্দ করেন।
বাংলাদেশে হালাল মাংস রপ্তানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মেক্সিকান ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি তারা দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
‘মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক হালাল শোকেস’ এর ১৯তম আসরে বিশ্বের অন্যান্য দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশও অংশগ্রহণ করেছে।খাদ্য ও পানীয়, মডেস্ট ফ্যাশন, ই-কর্মাস, ইসলামিক ফিন্যান্স ও ফিনটেকসহ মোট ১৩টি ক্লাস্টারে বিশ্বের ৪০টি দেশের ১ হাজার ৪০টি প্রতিষ্ঠান ১ হাজার ৮০০টি বুথের মাধ্যমে এই মেলায় অংশগ্রহণ করেছে।
মানুষ একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল সামাজিক জীব। বেঁচে থাকার জন্য মানুষ খাদ্য গ্রহণ করে। ইহকালীন জীবনে মানুষকে জীবিকা নির্বাহের জন্য বেছে নিতে হয় বিভিন্ন কর্ম ও পেশা। বিনিময় করতে হয় শ্রম।
বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্য পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর হিসেবে অতুলনীয় মান ধরে রেখেছে। সারাবিশ্বের মানুষের কাছে হালাল পণ্য বেশ জনপ্রিয়। এটি কেবল মুসলিমদের কাছে নয়। স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড মেট্রোলজি ইনস্টিটিউ ফর ইসলামিক কান্ট্রির (এসএমআইআইসি) এক শীর্ষ কর্মকর্তা এ মন্তব্য করেছেন।
বিশ্বজুড়ে হালাল মার্কেটের আকার বাড়ছে এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তা ১০ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খাবার, পর্যটন, বস্ত্র, কসমেটিক্স, ওষুধ ও রাসায়নিকের এই হালাল বাজার ইতোমধ্যেই সাত ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।