নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ইথাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠ (অন্যতম আইবেলিক বিশ্ববিদ্যালয়) কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলার কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটকের এক অভূতপূর্ব জন্মশতবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
ঋত্বিক
ভারত-পাকিস্তানের সংঘর্ষের উত্তাপ ছড়িয়েছে গোটা বিশ্বে। অস্ত্রের ঝনঝনির মধ্যেই দুইদেশের গণমাধ্যম ও পিছিয়ে নেয়। চটকদার প্রতিবেদন দিয়ে দর্শকদের নজর কাড়তে ব্যস্ত পাক-ভারত সংবাদমাধ্যম।
ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী ও পশ্চিমবঙ্গের আলোচিত গণমাধ্যমকর্মী ময়ূখ রঞ্জন ঘোষের পাল্টাপাল্টি পোস্ট নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
নচিকেতার জীবনমুখী গান ‘ছেলে আমার মস্ত মানুষ মস্ত অফিসার, মস্ত ফ্ল্যাটে যায় না দেখা এপার ওপার। নানান রকম জিনিস আর আসবাব দামি দামি সবচেয়ে কম দামি ছিলাম একমাত্র আমি।’ এ গানে উঠে এসেছে সন্তানের অবহেলার কথা।
সম্পর্কে রাখঢাক নেই ঋত্বিক-সাবার। প্রথম দিকে পর্দার আড়ালে রাখলেও পরে আর লুকানোর প্রয়োজন মনে করেননি। সবার সামনে প্রেমিকার হাত ধরে ঘুরেছেন মুম্বাইয়ের রাস্তায়। বিভিন্ন রেস্তোরাঁয়। এদিকে গুঞ্জন শুরু হয়েছে ঋত্বিক-সাবার সম্পর্কের আকাশে জমেছে বিচ্ছেদের মেঘ।