বিশ্বকাপে হ্যারি কেইনকে থামাতে পারেনি কোনো ডিফেন্ডার। তার ওপর কি ভর করেছিল অদৃশ্য কোনো শক্তি? এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ফুটবল দুনিয়ায়। ইংল্যান্ডের অধিনায়ককে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের সবচেয়ে রহস্যময় গল্প।
কাঁপছে
তীব্র শীত আর কনকনে হিমশীতল ঠান্ডা বাতাসে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
কুয়াশার সাথে হিমেল হাওয়ায় কনকনে শীতে কাপঁছে দিনাজপুরবাসী। উত্তরের হিম শীতল বাতাসে জনজীবনে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। ফলে সড়কে মানুষের উপস্থিতি কম ছিল। বিশেষ করে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে।
হঠাৎ করে জেঁকে বসেছে শীত। দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বয়ে যাচ্ছে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। যশোর, চুয়াডাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে বইছে এই শৈত্যপ্রবাহ, যা আজ শনিবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা চুয়াডাঙ্গায় হাড়কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। এক দিনের ব্যবধানে আবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে জেলাটিতে।
কুয়াশার সাথে হিমেল হাওয়ায় জনজীবনে কম্পন সৃষ্টি করেছে। এতে কুয়াশার সাথে শীতের দাপটে কাঁপছে দিনাজপুরবাসী।
সোমবার সকাল ৯ টায় তেঁতুলিয়ায় ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ৮২ শতাংশ ছিল।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি)। এদিন সকাল ৯টায় সেখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অবশ্য, তাপমাত্রা কম হলেও সকাল থেকে কুয়াশার দাপট তেমন ছিল না।
ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে চুয়াডাঙ্গা। ঠান্ডা বাতাস আর শীতের দাপটে কাবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। দেখা মেলেনি সূর্যের। শীতের তীব্রতা বাড়ায় ভোগান্তি বেড়েছে সাধারণ মানুষের। কনকনে ঠান্ডা ও বাতাসে মানুষের পাশাপাশি পশুপাখি কাবু হয়ে পড়েছে।
ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে কাঁপছে পঞ্চগড়। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে উত্তর থেকে বয়ে আসা কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস। রবিবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় পঞ্চগড়ে তেতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৫ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ১০০ শতাংশ।