গরম পড়লেই অনেকেই কিছু খাবার নিয়ে দ্বিধায় পড়েন - তার মধ্যে বাদাম অন্যতম। বাদাম খেলে শরীর গরম হয়, তৃষ্ণা বেশি লাগে - এমন ধারণা বেশ প্রচলিত।
বাদাম
প্রতিদিনের ভাতের সঙ্গে একই ধরনের ভর্তা বা তরকারি খেতে খেতে একঘেয়েমি চলে আসতেই পারে।
চিনাবাদাম একটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর খাবার, যা সারা বিশ্বে জনপ্রিয়। বাদাম স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ, তাই এটি নিয়মিত খেলে শরীরের জন্য অনেক উপকার পাওয়া যায়।
রোজার ইফতারে শরীরকে সতেজ রাখা এবং একই সঙ্গে মনকে আনন্দিত করার জন্য কিছুটা ভিন্ন স্বাদের শরবত দারুণ সমাধান হতে পারে।
যেকোন ধরনের মিষ্টান্ন যেমন পায়েস-ফিরনিতে খোসা ছাড়ানো কয়েক টুকরো পেস্তা দিলেই খাবারের কদর বেড়ে যায়।
শীতের ঠান্ডা বাতাস শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা বেশিরভাগ সময় এমন খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়ি যা কেবল আরামদায়কই নয় বরং উষ্ণও। তেমনই একটি খাবার হলো বাদাম। শীতের দিনগুলোতে আমাদের বিকেলের নাস্তার অংশ হতে পারে এই পুষ্টিকর খাবার।
শীতের মৌসুম মানেই বিভিন্ন ধরনের শুকনো ফল ও খাবারের কদর। আর সেসবের মধ্যে বাদাম বা চিনাবাদাম সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সাশ্রয়ী।
গরমে কাজের জন্য বাড়ি থেকে বের হতেই হয়। এ সময়ে বের হলে, রোদে ত্বক পুড়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যায়।
বিকেল বা সন্ধ্যার আড্ডায় কিংবা ট্রেনের লম্বা জার্নিতে হালকা স্ন্যাকস খাওয়ার অভ্যাস আমাদের অনেকেরই আছে। কিন্তু হালকা খিদা মেটানোর জন্য যখন হাতের সামনে একদিকে থাকে চিনাবাদাম, আর অপরদিকে থাকে ভাজা ছোলা, সেই সময় মনে প্রশ্ন জাগে যে কোনটা খাওয়া শরীরের জন্য বেশি উপকারী?
জীবনে কোনোদিন মাথাব্যথা হয়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। অনেকেই প্রায়ই মাথাব্যথার যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন।