যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি এশিয়ার বড় বাজারগুলোতেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এশীয় বাজারে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দেশের বাজার বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।
রপ্তানি
মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেলের রপ্তানি যুদ্ধ শুরুর আগের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।
মিশরে বাংলাদেশি প্রশিক্ষিত শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, বাংলাদেশের আম রপ্তানি বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ
দেশের ভেতরে ডিজেলের উৎপাদন যদি প্রয়োজনের চেয়ে বেড়ে যায়, তবে এর রপ্তানির ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করার কথা ভাবতে পারে রাশিয়া।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ১ হাজার
দেশের বাজারে ইলিশের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা এবং বাংলাদেশি ইলিশ বিদেশে পুনঃরপ্তানির অভিযোগ তুলে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধের দাবি জানিয়ে সরকারকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।
মালয়েশিয়ার বাজার ও আসিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবা রপ্তানি সম্প্রসারণে সহযোগিতা চেয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ২০২৩ সালের জন্য বছর সমাপ্তি রপ্তানি তথ্য প্রকাশ করেছে। এই ক্যালেন্ডার বছরে আমাদের পোশাক রপ্তানি ৪৭ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের তুলনায় এক দশমিক ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেশি।
চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) দেশে রপ্তানি আয় হয়েছে ২ হাজার ৭৫৪ কোটি মার্কিন ডলারের।
রপ্তানি খাতের বিভিন্ন পণ্যে নেতিবাচক ধারা থাকলেও পোশাক রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের ১১ মাসে শুধু পোশাক খাতেই প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি।