যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে দক্ষিণ লেবাননে ‘সংবেদনশীল সামরিক অভিযান’ সাময়িকভাবে স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইল।
লেবানন
লেবাননে গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৩০১ জনে পৌঁছেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ঘোষণা করেছে যে, তাদের নাগরিকরা আবার লেবাননে ভ্রমণ করতে পারবেন।
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি ফেরাতে গত সপ্তাহে একটি চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু সেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি অমান্য করে সোমবার দক্ষিণ লেবাননে আবার বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কান্তারা ও দেইর সেরিয়ান শহরের মাঝামাঝি এলাকায় এই হামলা চালানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবাননের সঙ্গে হওয়া চুক্তিকে ইসরাইলের জন্য একটি ‘ঐতিহাসিক অর্জন’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত ইসরায়েল ও লেবানন সরকারের মধ্যকার নিরাপত্তা চুক্তিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়াশিংটনে ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে হওয়া ১৪ দফার কাঠামোগত চুক্তির (ফ্রেমওয়ার্ক) পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশ করেছে।
লেবাননের প্রতিরোধযোদ্ধা হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েল লড়াই বন্ধে সম্মত হয়েছে। এ লক্ষ্যে দুই পক্ষের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে থামছে না ইসরাইলি হামলা। ওয়াশিংটনে তেলআবিব-বৈরুত আলোচনার শেষ দিনেও দক্ষিণ লেবাননে ড্রোন হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির সামরিক কর্মকর্তারা দক্ষিণ লেবাননের এলাকাগুলোতে দখলদারিত্ব বজায় রাখার বিষয়ে তাদের পরিকল্পনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।