সন্তানকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে অভিভাবকেরা দ্বীনি বা জেনারেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠান। তাদের আশা, সন্তান সেখানে জ্ঞানের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ শিখবে। কিন্তু পড়াশোনার পরিবেশ ভালো হলেই শিশু নিরাপদ, এমন ধরে নেওয়া যায় না।
- সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ মার্কিন সরকারি কর্মীদের
- * * * *
- নিজ বরাদ্দের আড়াই লাখ টাকা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যয় করলেন চাকসু এজিএস
- * * * *
- মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ
- * * * *
- জমি নিয়ে বিরোধ, বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ছোট ভাই নিহত
- * * * *
- হাতীবান্ধায় সারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
- * * * *
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
বাংলদেশে দ্বিনি শিক্ষার প্রসারে মাদ্রাসাগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য দাবি করে জনপ্রিয় ইসলামি মিজানুর রহমান আজহারি বলেছেন, ‘ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো জবাবদিহিতা বা সুশাসনের ঊর্ধ্বে নয়।
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে চারটি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেছেন, এক ঘোষণায়, বিনা শর্তে বাংলাদেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের ঘোষণা দিতে হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন সব দপ্তর, সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের তাগিদ দিয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শুরু হচ্ছে ছুটি। ছুটির তালিকা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী টানা ১০ দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদকের কুফল, কিশোর গ্যাং রোধ, ইভটিজিং ও ‘র্যাগ ডে’র নামে বিশৃঙ্খলা বন্ধ এবং রাতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
পঞ্চগড় সদরের নতুন বস্তি এলাকায় অবস্থিত মিনাল বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীশূন্য। কাগজ কলমে ১৫ জন শিক্ষক থাকলেও প্রতিষ্ঠানে আসেন না কেউ। শুধু অধ্যক্ষ মাঝেমধ্যে প্রতিষ্ঠানে আসেন। গত পাঁচ বছর ধরে চলছে এ অবস্থা।