২০২৪ সালে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের আগের রাতে, অর্থাৎ ৪ আগস্ট (রোববার) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তার অধীনস্থ জেনারেলদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, দেশে জারি থাকা কারফিউ কার্যকর করতে সেনাসদস্যরা কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালাবেন না।
হাসিনা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ফেনীতে প্রতীকী আদালত বসিয়ে শেখ হাসিনা, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ছয় নেতার বিরুদ্ধে প্রতীকী ফাঁসির রায় ঘোষণা এবং পরে সেই রায় অনুযায়ী প্রতীকী ফাঁসি কার্যকর করেছে জেলা ছাত্রদল।
আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে কোনো গণমাধ্যম যদি আগাম ঘোষণা দিয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রকাশ বা সম্প্রচারের তথ্য প্রচার করে, তবে সেটি আদালতের আদেশের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
শেখ হাসিনাকে ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও বিএনপি তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) ডা. মাহমুদা মিতু।
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে হামলা ও হত্যাকাণ্ডের মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে যাত্রাবাড়ীর প্রতিরোধ হাসিনার পতনকে আরও ত্বরান্বিত করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শিশু, কিশোর ও তরুণ হত্যার পর শেখ হাসিনার ক্ষমা নেই। যে রক্তপাত হয়েছে, তার পর শেখ হাসিনার আবার দেশে ফিরে রাজনীতি করার সুযোগ থাকতে পারে না।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন।