‘নিশ্চয় সাফল্য লাভ করবে সে, যে পরিশুদ্ধ হয়।’ (সূরা আলা-১৪) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা: বর্ণনা করেন- ‘রাসূলুল্লাহ সা: সাদাকাতুল ফিতরকে অপরিহার্য করেছেন, অনর্থক অশালীন কথা ও কাজে রোজার যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণের জন্য এবং নিঃস্ব লোকের আহার জোগানোর জন্য।’ (আবু দাউদ)
- ৬ বিশ্বকাপে রোনালদোর ১০ গোল, মেসি শেষ ৭ ম্যাচেই করলেন ১১টি
- * * * *
- যেসব কারণে নারীদের আগে পুরুষরা বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন
- * * * *
- আবার যুদ্ধ শুরু হলে ইরানের অস্তিত্ব থাকবে না: ট্রাম্প
- * * * *
- জেট বিমানের সমান শব্দ করে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন অস্ট্রেলীয় নাগরিক
- * * * *
- আর্জেন্টিনাকে এড়াতেই কি এত বাজে খেলেছে পর্তুগাল?
- * * * *
ইসলাম
সৌদি আরবের মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে ২৭ রমজান (শবে কদরে) এশা ও তারাবির নামাজ আদায় করেছেন প্রায় ২৫ লাখ মানুষ। সৌদি সংবাদমাধ্যম এসপিএ’র খবরে বলা হয়েছে, এদিন নামাজে অংশ নিতে পবিত্র এই দুই মসজিদে আগে থেকেই মুসল্লিরা উপস্থিত হয়েছেন।
‘লাইলাতুল কদর’ বা ‘শবে কদর হচ্ছে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও মহিমান্বিত রাত। এই পবিত্র রাতে গুরুত্বের সঙ্গে নামাজ-দোয়া ও জিকির-আজকারসহ প্রত্যেকটি নেক আমলের সীমাহীন ফজিলত বর্ণিত হয়েছে হাদিসে।
অফুরন্ত রহমত, বরকত, মাগফিরাত আর নাজাতের মাস রমজান শেষ হয়ে যাচ্ছে। রমজানের আমলভরা দিনগুলো বিদায় নিয়ে যাচ্ছে। মুমিনের হৃদয় কাঁদছে। তবে রমজান রেখে যাচ্ছে আমাদের জন্য মহান শিক্ষা।
রোজা পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব এক ইবাদত। রমজানের শেষে সাধারণত আমরা এই ওয়াজিব ইবাদত আদায় করে থাকি। সমাজে ফিতরা নামে পরিচিত। আমাদের অনেকে ফিতরার মাসআলা, আদায়ের নিয়ম-পদ্ধতি জিজ্ঞাসা করে থাকেন।
মুসলমানদের কাছে লাইলাতুল কদর এক বরকতময় ও মহিমান্বিত রাত কারণ এ রাতে আল্লাহতায়ালা কুরআনে কারিম নাজিল করেছেন এবং এ রাতের নামে আল্লাহতায়ালা একটি সূরাই নাজিল করেছেন।
ইতেকাফ পবিত্র রমজানের বিশেষ ইবাদত। মাহে রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করা সুন্নত। দুনিয়াদারির ঝামেলা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে একাগ্রচিত্তে আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হওয়া এবং বিনয় ও নম্রতায় নিজেকে আল্লাহর দরবারে সমর্পণ করা, বিশেষ করে লাইলাতুল কদরে ইবাদত করার সুযোগ লাভ করাই ইতেকাফের অন্যতম উদ্দেশ্য।
দিবস-রজনী, মাস-বছর সবই আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টি। তারপরও এসবের মধ্যে কিছু কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। বিশেষ করে লাইলাতুল কদর অনন্য ও অনুপম মর্যাদার অধিকারী। এ রাত প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা পৃথক একটি সূরা নাজিল করেন।
শুরু হয়েছে রমজানের শেষ দশক। রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ ১০ দিনের বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করতেন।
সৃষ্টির শুরু থেকে আল্লাহর নির্ধারিত প্রতি বছরে ১২ মাসের মধ্যে পবিত্র রমজান মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন- ‘আমি এ কুরআনকে নাজিল করেছি কদরের রাত্রিতে; কদরের রাত্রি সম্বন্ধে তুমি কি জানো? কদরের রাত্রি হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।’ (সূরা কদর : ১-৩)
পরম করুণাময় আল্লাহতায়ালা অসীম দয়ালু, অতুলনীয় ক্ষমাশীল। তাঁর দয়া ও করুণা প্রতি মুহূর্ত, অনবরত বর্ষণ হতে থাকে। তদুপরি আল্লাহতায়ালা বান্দাদের প্রতি অনুগ্রহ করে তিনি রহমতের বিশেষ বিশেষ অফার ঘোষণা করেন।
ইতিকাফের বিধান : ইতিকাফ গুরুত্বপূর্ণ এক ইবাদত। একজন রোজাদার মাহে রমজানে নিজের দুনিয়াবি সব ব্যস্ততা ছেড়ে মসজিদে চলে আসেন একমাত্র আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য। ৯-১০ দিন মসজিদে অবস্থান করেন।
দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে জাকাতব্যবস্থা প্রাতিষ্ঠানিক করার গুরুত্ব অপরিসীম। সব বিত্তবান মুসলিম নর-নারীর ওপর সঠিকভাবে হিসাব করে জাকাত দেওয়া ফরজ। ইসলামের অন্যান্য মৌলিক বিধানের মতো জাকাত অস্বীকার করা কুফরি এবং সঠিকভাবে আদায় না করা ফাসেকি ও কবিরা গুনাহ।
ইতিকাফের শাব্দিক অর্থ হলো অবস্থান করা, কোনো বস্তুর ওপর স্থায়ীভাবে থাকা। ইতিকাফের মধ্যে নিজের সত্তাকে আল্লাহ তায়ালার ইবাদতের মধ্যে আটকিয়ে রাখা হয় এবং নিজেকে মসজিদ থেকে বের হওয়া ও পাপাচারে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত রাখা হয়।
সংযম মানে বিরত থাকা, সংবরণ করা। সব ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড, অন্যায়, অবিচার থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি সব ধরনের বদ অভ্যাস থেকে নিবৃত্ত থাকার নামই হলো সংযম।
শাব্দিক অর্থে জাকাতের অনেক অর্থের মধ্যে পবিত্রতা ও ক্রমবৃদ্ধি অন্যতম। পারিভাষিক অর্থে জাকাত হলো- ধনীদের ধন-মাল থেকে আল্লাহর নির্ধারিত হারে উপযুক্ত ব্যক্তিকে প্রদান করা। আল্লাহ বলেন, ‘...এবং তোমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জাকাত