নতুন পাঠ্যপুস্তকে ভাসানীর জীবনী অন্তর্ভূক্ত করার দাবি
ছবি: সংগৃহীত
২০২৫ সালের ৭ম থেকে ৯ম শ্রেণির নতুন পাঠ্যপুস্তকে মওলানা ভাসানীর জীবনী পুনরায় অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানিয়েছেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু।
তিনি বলেছেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার কয়েক বছর পূর্বে ৫ম ও ৮ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক থেকে মওলানা ভাসানীর জীবনী বাদ দেয়। পরে কঠোর আন্দোলনের মুখে পুনরায় অন্তর্ভূক্ত করতে বাধ্য হয়। পাঠ্যপুস্তক থেকে মওলানা ভাসানীর জীবনী প্রত্যাহার ইতিহাসের একটা ‘জঘন্য’ বিকৃতি। আমরা আশা করি, ২০২৫ সালের ৭ম থেকে ৯ম শ্রেণির নতুন পাঠ্যপুস্তকে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার মওলানা ভাসানীর জীবনী পুনরায় অন্তর্ভূক্ত করবেন।
বুধবার (২৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভাসানী অনুসারী পরিষদ ঢাকা মহানগর সমন্বয়ক আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং নুরুজ্জামান হীরার সঞ্চালনায় উক্ত মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সদস্য সচিব ড. আবু ইউসুফ সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল বিশ্বাস, যুগ্ম সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান হাবিব, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম এবং মোশারফ হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন- বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর একান্ত অনুসারী এডভোকেট নজমুল হক নান্নু, কবি, লেখক ও গবেষক আব্দুল হাই শিকদার, মওলানা ভাসানীর নাতী মাহমুদুল হক শানু ও আজাদ খান ভাসানী।
জাতীয় ইতিহাসে মওলানা ভাসানীর অবস্থান তুলে ধরে বক্তারা বলেন, তিনি আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তি-সংগ্রামে অবিসংবাদিত নেতা। মওলানা ভাসানীকে তরুণ প্রজন্মের কাছ থেকে আড়াল করে অন্য কাউকে প্রতিষ্ঠা করা ফ্যাসিস্ট সরকারের হাস্যকর প্রচেষ্টা। ইতিহাস সবার স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেই ইতিহাস থেকে কাউকে মুছে ফেলা যাবে না। মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। তারা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ২০২৫ সালের নতুন পাঠ্যপুস্তকে মওলানা ভাসানী জীবনী অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানান।
আরিফুর রহমান বলেন, ৭ম থেকে ৯ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে মওলানা ভাসানীর জীবনী অন্তর্ভূক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।