চট্টগ্রামে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের ৪২ নেতাকর্মী গ্রেফতার

চট্টগ্রামে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের ৪২ নেতাকর্মী গ্রেফতার

প্রতিকী ছবি

চট্টগ্রামে ‘অপারেশন ডেভিল হান্টের’ আওতায় ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৪২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে বুধবার রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার সিএমপির গণসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন- ইপিজেড থানার আসামি নেজাম উদ্দীন, আল আমিন, আকবরশাহ্ থানার আসামি বাঁশী আর্চায্য, জাবেদ হোসেন, বন্দর থানার আসামি নাহিদুল হক, চান্দগাঁও থানার থানার আসামি দেলোয়ার হোসেন,  মিল্টন দাশ, ফখরুল ইসলাম, শাহীন, মানিক ওরফে রিয়াদ, জাহাঙ্গীর, নুরুল আবছার, পতেঙ্গা মডেল থানার আসামি পতেঙ্গা থানা ৪১ নং ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি, ওয়াহিদুল আলম মাস্টার, বাকলিয়া থানার আসামি আরিফ, আব্দুল হান্নান, বায়েজিদ বোস্তামী থানার আসামি চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদপার্থী দিদারুল আলম চৌধুরী, বাছেক উদ্দিন, কোতোয়ালী থানার আসামি শাকিব, রাজন, নাইম হোসনে, ডবলমুরিং মডেল থানার আসামি মাঈন উদ্দিন, আরমুনুল হক, কৃষ্ণ দেব, শাহ আলম পিংকু, পাহাড়তলী থানার আসামি আনোয়ার হোসেন শান্ত, তোফায়েল আহাম্মদ ওরফে রিয়াজ, মোহাম্মদ আলী, সোহেল, মাসুম ওরফে বকলেস মাসুম, হালিশহর থানার আসামি চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড কৃষকলীগের সেক্রেটারি সফিক, মুরাদ, আলাউদ্দনি, সাইফুল, তৌফিক এলাহী, খুলশী থানার আসামি নুরুল আফসার, সদরঘাট থানার আসামি আব্দুর রহমান জুয়েল, চকবাজার থানার আসামি আবুল কালাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামিমা আক্তার, পাচঁলাইশ মডেল থানার আসামি বেলাল ও রুবেল হোসেন প্রকাশ সুমন।

সিএমপির এডিসি (গণসংযোগ) মাহমুদা বেগম জানান, নগরীতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অভিযোগে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র জনতার ওপর হামলাসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ও পেনাল কোড আইনে এক বা একাধিক মামলা রয়েছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।