১০ ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দিতে রাজি হামাস

১০ ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দিতে রাজি হামাস

সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইসরাইলের ১০ বন্দিকে মুক্তি দিতে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। একই সঙ্গে হামাস জানায়, যুদ্ধবিরতির আলোচনা এখনো ‘কঠিন’ পর্যায়ে রয়েছে। কারণ ইসরাইল এখনো ‘একগুঁয়েমি’ দেখিয়ে যাচ্ছে। খবর আল-জাজিরার।

কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এ আলোচনা এগিয়ে চলেছে উল্লেখ করে হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা তাহের আল-নুনু বলেন, ‘আমরা সর্বশেষ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণ করেছি এবং আমাদের জনগণের সুরক্ষা, গণহত্যা বন্ধ এবং সম্মানজনকভাবে ত্রাণ প্রবাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নমনীয়তা দেখিয়েছি। ’

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায়ে ইসরাইলি বাহিনী যেসব এলাকায় অবস্থান করবে, তা এমনভাবে নির্ধারণ করতে হবে যাতে ফিলিস্তিনি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত না হয় এবং পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনার পথ সুগম হয়।

এদিকে ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার ‘ভালো সম্ভাবনা’ রয়েছে। তবে তিনি এও বলেন, ‘এই সপ্তাহ বা পরের সপ্তাহে একটা চুক্তি হতে পারে, নিশ্চিত কিছু নয়। যুদ্ধ ও গাজার মতো ইস্যুতে কিছুই চূড়ান্ত নয়।’

অন্যদিকে ইসরাইলি সেনাপ্রধান এয়াল জামির বলেন, এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে ১০ জন জীবিত বন্দি এবং ৯ জনের মরদেহ হস্তান্তরের সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এরই মধ্যে গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। বুধবার (৯ জুলাই) গাজাজুড়ে চালানো ইসরাইলি হামলায় ৭৪ জন নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে ৮ জন গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) বিতরণ পয়েন্টে খাদ্য সহায়তা নিতে গিয়ে গুলিতে নিহত হন।