অস্ত্রোপচারের কারণে ফের পেছাল পরীমণির শুনানি

অস্ত্রোপচারের কারণে ফের পেছাল পরীমণির শুনানি

ছবি: সংগৃহীত

শারীরিক অসুস্থতার কারণে পেছাল অভিনেত্রী পরীমণিকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার মামলার শুনানি। অ্যাপেন্ডিকসের অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকের পরামর্শে বিশ্রামে থাকায় আজ মঙ্গলবার আদালতে আসতে পারেননি তিনি।  

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এর বিচারক শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়ার আদালতে পরীমণির জেরার দিন ধার্য ছিল। তবে তিনি উপস্থিত না হওয়ায় আদালত আগামী ৯ আগস্ট নতুন দিন নির্ধারণ করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর নার্গিস পারভীন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নার্গিস পারভীন বলেন, ‘আজ (১০ ফেব্রুয়ারি) মামলাটির শুনানি ছিল। পরীমণি অসুস্থ থাকায় আদালতে আসতে পারেননি। তাঁর পক্ষে আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সময় চেয়ে আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। আগামী ৯ আগস্ট এই মামলার শুনানি হবে।’

শুনানির জন্য সময় আবেদন করে বলা হয়েছে, গত ২৯ জানুয়ারি পরীমণির অ্যাপেন্ডিসাইটিস অস্ত্রোপচার হয়েছে। এ কারণে তিনি আজ আদালতে হাজির হতে পারছেন না। 

এর আগে গত বছরের ২৬ মে এই মামলার শুনানিতে এসে আদালতে অসুস্থ হয়ে পড়েন পরীমণি। 

বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদ, তুহিন সিদ্দিকী, শাহ শহিদুল আলমসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৪ জুন সাভার থানায় মামলা করেন পরীমণি। মামলাটি তদন্ত করে ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নাসির, তুহিন সিদ্দিকী ও শাহ শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্র আমলে নেন আদালত। 

২০২২ সালের ১৮ মে তিনজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯। মামলায় পরীমণি অভিযোগ করেন, ২০২১ সালের ৮ জুন রাতে তাঁকে কৌশলে সাভারের বিরুলিয়ায় ঢাকা বোট ক্লাবে ডেকে নিয়ে যান তাঁর পূর্বপরিচিত তুহিন। সেখানে তাঁকে জোর করে মদ পান করানোর চেষ্টা করেন নাসির। একপর্যায়ে তাঁকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা চালানো হয়।

এদিকে ওই ঘটনায় মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ২০২২ সালের ১৮ জুলাই ঢাকার আদালতে নালিশি মামলা করেন ব্যবসায়ী নাসির।