দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায়ে পাবনায় বাণিজ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায়ে পাবনায় বাণিজ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায়ে পাবনায় বাণিজ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

গণসংহতি আন্দোলন পাবনা জেলা জেলা শাখা বুধবার (০২ মার্চ) কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুর ১২টায় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি মদদের সিন্ডিকেট ভাঙতে জনগণের প্রতি ঐক্যবদ্ধ হতে পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন কোর্ট চত্বরে বিক্ষোভ করে।

বিক্ষোভ শেষে মিছিল নিয়ে শহরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় পাবনা জেলা স্কুলের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হয়। পুলিশ ব্যানার ফেস্টুন ছিনিয়ে  নেয় এবং সংগঠকদের মোবাইল কেড়ে নিয়ে ছবি মুছে ফেলতে বাধ্য করে। এর প্রতিবাদ করলে ছাত্র  ফেডারেশন বেড়া উপজেলার আহ্বায়ক লিমন সরকারকে আটক করে এবং পরবর্তীতে ছেড়ে দেয়।

পাবনা সদর থানার সংগঠক মির্জা রানার সভাপতিত্বে এ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য জুলহাসনাইন বাবু, জেলা সংগঠক কামরুল হাসান লিটন, বেড়া উপজেলা সদস্য সচিব সানোয়ার হোসেন, ছাত্র ফেডারেশন বেড়া উপজেলার আহ্বায়ক লিমন সরকারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে জুলহাসনাইন বাবু বলেন, ভোজ্য তেল, চাল, ডাল, চিনি লবণসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে লাগামীনভাবে। আর সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বলছেন তার কিছু করার নাই। তাহলে তিনি জণগণের পয়সা অপচয় করে পদ ধরে রেখেছেন কেন? ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে অবিলম্বে তার পদত্যাগ করা উচিত। ভোজ্যতেল-চালসহ নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করছে সরকারী মদদের সিন্ডিকেট। সরকার দলীয় লুটেরা ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্র ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধি করছে এবং লুণ্ঠন করছে। জনসম্মতিহীন সরকার বলেই জনগণের প্রতি তাদের কোন দায়বদ্ধতা নাই। তিনি বলেন, দলমত নির্বিশেষে সরকার পতণের আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

সমাবেশে তিনি আরো বলেন, আজ বুধবার( ২ মার্চ) জণগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে সরকার ভোটার দিবস পালন করছে। এটা জনগণের প্রতি এক নির্মম তামাশা। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ১১ কোটি ৩০ লাখ  ভোটারকে সরকার অপমান করেছেন। আবারও ২০২৩ সালের নির্বাচনে একইভাবে ক্ষমতা ধরে রাখার ষড়যন্ত্র করছে। বর্তমান সরকার জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়ার মাধ্যমে সকল মত পথের মানুষেদের এক কাতারে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। ফলে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম করতে হবে একসাথে সকলে মিলে। বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলাম মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমেই জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।

বক্তারা বলেন, গত ৫০ বছরে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় নাই। বর্তমান সময়ে এ অধিকার আরো সঙ্কুচিত হয়েছে। জনগণের গণসংহতি আন্দোলন মওলানা ভাসানীর আদর্শের গণমানুষের রাজনৈতিক দল। গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ ধরে গণসংগ্রামের ভেতর দিয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানান।