৮ হাজার কেজি ইলিশ গেল ভারতে

৮ হাজার কেজি ইলিশ গেল ভারতে

সংগৃহীত

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। যার প্রথম দিনে বেনাপোল বন্দর দিয়ে দু’টি ট্রাকে ৮ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে প্রবেশ করেছে। সোমবার সন্ধ্যায় কাস্টমস ও বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ইলিশের ট্রাক প্রবেশ করে।

ইলিশ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নাম মাহিমা এন্টারপ্রাইজ। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নাম ভারতের এস আর ইন্টারন্যাশনাল। চালানটি বন্দর থেকে ছাড় করাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেন জিইও (GEO) নামে একটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান। এছাড়া প্রতি কেজি ইলিশের রপ্তানি মূল্য ১০ ডলার। দুই দেশেই শুল্কমুক্ত সুবিধায় এ ইলিশ ভারতে রপ্তানি করা হয়। এ ইলিশ ভারতে রপ্তানির জন্য বাংলাদেশি ৪৯টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান অনুমোদন পেয়েছে।

বেনাপোল মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ অফিসের পরিদর্শক মাহাবুব রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, প্রথম চালানটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো বরিশালের মাহিমা এন্টারপ্রাইজ এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো ভারতের এস আর ইন্টারন্যাশনাল। প্রতি কেজি ইলিশ ১০ মার্কিন ডলার মূল্যে রপ্তানি হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৪ সেপ্টেম্বর ৪৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ টন করে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব ইলিশ রপ্তানির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখা থেকে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রককে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, আসছে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ মাছ রপ্তানি বিষয়ে প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে শর্তসাপেক্ষে ৪৯ প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত পরিমাণ ইলিশ মাছ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

রপ্তানির শর্তে বলা হয়েছে, ইলিশ রপ্তানি নীতি ২০২১-২০২৪ এর বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে। শুল্ক কর্তৃপক্ষ দ্বারা রপ্তানি করা পণ্যের কায়িক পরীক্ষা করাতে হবে, প্রতিটি কনসাইনমেন্ট শেষে রপ্তানি সংক্রান্ত কাগজপত্র রপ্তানি-২ অধিশাখায় দাখিল করতে হবে, অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ইলিশ পাঠানো যাবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে।