সচিবালয়ের সামনে আনসার সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় ফিরে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ৩ দফা দাবি রেখেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও শিক্ষার্থীরা।
- ডায়াবেটিস রোগীরা আম খাবেন যেভাবে
- * * * *
- মরিয়ম নওয়াজের গাড়িতে আগুন
- * * * *
- প্রাণবন্ত হাসিতে ক্যামেরায় ধরা দিয়েছেন তটিনী
- * * * *
- আমার হিন্দি খুব একটা ভালো নয় - সাই পল্লবী
- * * * *
- রেসিপি : আম-কাসুন্দি চিংড়ি
- * * * *
আন্দোলনে
আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগসহ যারা অস্ত্র ব্যবহার করেছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. মাইনুল হাসান।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছুই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তবে আহতদের দেখতে হাসপাতালে ভিড় না জমাতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত-নিহতদের হাসপাতালের রেজিস্ট্রার থেকে তথ্য নিয়ে সবার ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। আহতের পুনর্বাসনের জন্য যা যা করার সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় তার নৈতিকতার যায়গা থেকে করবে। আহতদের পুনর্বাসিত করবে মন্ত্রণালয়।
কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে পেটে গুলিবিদ্ধ হন কলেজছাত্র মো. ইমন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কলেজছাত্র সেই ইমন মারা গেছেন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যে মতে বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনে ৬৫০ জন নিহত হয়েছেন। তবে এই প্রতিবেদনে আহতদের তেমন কোনো পরিসংখ্যান দেওয়া হয়নি। অপর দিকে আন্দোলনকারী এবং সরকারের হিসেবেও তেমন কোনো তথ্য মেলেনি আহতদের।
বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। এমনটা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদ্য সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা (বর্তমানে পাট ও বস্ত্র উপদেষ্টা) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) এম সাখাওয়াত হোসেন। ভারতীয় গণমাধ্যম নর্থইস্ট নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা ব্যয় সরকার কর্তৃক বহন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহে তাদের বিল মওকুফ অথবা ন্যূনতম বিল গ্রহণ করার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রজনতার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ক্রীড়াঙ্গনের অনেক তারকাই। কেবল ব্যতিক্রম ছিলেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা এবং সাকিব আল হাসান। কারণ, এই দুইজনই ছিলেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। তাই শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর তোপের মুখে পড়তে হয়েছে দুই ক্রিকেটারকে। এ ছাড়াও মাশরাফীর বাড়িও পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচারসহ চার দফা দাবিতে সপ্তাহব্যাপী ‘রেজিস্ট্যান্স উইক’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সারা দেশে ‘সর্বাত্মক অবস্থান’ কর্মসূচি পালন করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।