আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে এবার প্রায় চার হাজার টন ইলিশ ভারতে রফতানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
ইলিশ
উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশকে ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতে আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ থাকবে।বুধবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ২ কেজি তিনশো গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ ধরা পড়েছে ফোরকান মাঝি নামের এক জেলে জালে। যা বিক্রি হলো ৫ হাজার দুইশ ৩২ টাকায়।
ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন পাচ্ছেন ৯৬ ব্যবসায়ী। প্রাথমিকভাবে এ তালিকা চূড়ান্ত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রত্যেক ব্যবসায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন পাবেন।
বাংলাদেশে ইলিশের জন্য চাঁদপুর কিংবা দক্ষিণের কিছু জেলা সবসময় আলোচনায় আসলেও এবার ঢাকার কাছে ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় ফেনী নদীতে প্রচুর ইলিশ পাচ্ছেন জেলেরা এবং এসব ইলিশ আকারেও তুলনামূলক অনেক বড়।
ইলিশের বাড়ি’ খ্যাত চাঁদপুর। সেই চাঁদপুরেই ইলিশের দাম কমছে না। ফলে দেশের অন্যান্য স্থানেও ইলিশের দাম কমার সম্ভাবনা আপাতত দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আবুল খায়ের (৪৫) নামের এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ১৭০ মণ ইলিশ। এগুলো ৫১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে এসব মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মিথুন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি মৎস্য আড়তে এসব ইলিশ বিক্রি করা হয়।
খুলনার ডুমুরিয়ায় পুকুরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ২০টি ইলিশ মাছ। প্রতিটি ইলিশের গড় ওজন ৫০০ গ্রাম।
ইলিশের যেকোনো পদ মানেই জিভে জল। এক ইলিশ মাছ দিয়ে তৈরি করা যায় অনেক ধরনের পদ। তার মধ্যে একটি হলো টক-মিষ্টি ইলিশ। ভাবছেন, টক-মিষ্টি তো আচার হয়, ইলিশ কেন হবে? সুস্বাদু এই খাবারের স্বাদ বুঝতে হলে ঘরেই তৈরি করে খেতে হবে।
ইলিশের আড়ত চকচকে হয়ে উঠেছে ইলিশের রঙে। বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও কমছে না দাম। গত তিনদিনে (১৮ থেকে ২০ আগস্ট) সাড়ে সাত হাজার মণ ইলিশ চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছ বাজারে এসেছে। তবু ব্যবসায়ীরা ইলিশের কেজি ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা বিক্রি করছেন।