পৃথিবীতে মানুষকে নিরাপদে বেঁচে থাকার জন্য ইসলাম দিয়েছে পূর্ণ নিশ্চয়তা। এতে মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।
ইসলামের দৃষ্টি
মানুষ জন্মগতভাবে সামাজিক জীব। সমাজ ছাড়া মানুষ কখনো চলতে পারে না। নিজের, নিজ পরিবার-পরিজনের, আত্মীয়স্বজন এবং প্রতিবেশীর মঙ্গল কামনা ও কল্যাণসাধন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীরই কর্তব্য।
ইসলামের দৃষ্টিতে দেশাত্মবোধ একটি প্রশংসনীয় গুণ। দেশাত্মবোধ একটি স্বভাবজাত প্রেরণা। জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা ও আকর্ষণকে গভীরতর পর্যায়ে নিয়ে গেলেই তা দেশাত্মবোধে পরিণত হয়।
ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ মহান আল্লাহর হাতে। তিনি যাকে খুশি তাকে ক্ষমতা দান করেন। সুতরাং যারা কোনোভাবে বিজয়ী বা ক্ষমতাসীন হয়, তাদের উচিত মহান আল্লাহর নির্দেশনা মান্য করা।
ইসলামে শ্রমিকের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস বা মে দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম। শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কুরআনুল কারিম ও হাদিস শরিফে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
অনৈতিক মানবচরিত্র হলো হিংসা বিদ্বেষ পোষণকারী। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঈমান ও আখিরাত।
রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।আমি আমার স্ত্রীর কাছে উত্তম।
জনকল্যাণ ও পরম মানবতার ধর্ম ইসলাম। এ ধর্মে দুর্নীতি নেই, শোষণ-নিপীড়ন নেই। নেই ধোঁকা-প্রতারণা, কাউকে মেরে খাওয়ার জঘন্য প্রবণতা।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার বান্দার পরীক্ষা নেন। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, মানুষের কৃতকর্মের দরুন স্থলে ও সমুদ্রে ফাসাদ প্রকাশ পায়।
ইসলামই মানবজাতির জন্য প্রথম স্পষ্টভাবে মৌলিক অধিকার প্রদান করেছে। মানবজাতির মৌলিক অধিকারকেই মানবাধিকার বলে।