বিস্ফোরণ আর সাইরেনের শব্দে চোখেমুখে আতঙ্ক নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে ইউক্রেনবাসী। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বৃহস্পতিবারের সকালটা অন্য দিনের মতো ছিল না। প্রাণভয়ে অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের পেছনে ছুটেছেন, কেউ–বা পালিয়েছেন দেশ ছেড়ে।
উক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) সেক্রেটারি জেনারেল জেন স্টোলেনবার্গ জানিয়েছেন, ইউক্রেনে সৈন্য পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই ন্যাটোর।
ইউক্রেনে রাশিয়ান সেনা হস্তক্ষেপকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে তুরস্ক। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘অনুচিত ও বেআইনি’ আক্রমণ অবসানের আহ্বান জানায় আঙ্কারা।
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ইউক্রেনে হামলা না চালাতে বুধবার ব্যক্তিগতভাবে ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
রাশিয়ার বিরোধী দলীয় নেতা আলেক্সাই নাভালনি ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছেন।বৃহস্পতিবার কারারুদ্ধ এই রাজনীতিকের বিরুদ্ধে চলমান এক মামলার শুনানির সময় আদালতে বক্তব্যে এই কথা বলেন তিনি।
প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল মাস খানেক আগেই। সামরিক মহড়ার নাম করে বেলারুশে রাশিয়ান সেনার প্রবেশের পরেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র-সহ পশ্চিমা বিশ্ব।
ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার হামলা চালানোর পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ইউক্রেন। এরপর বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লি সব পক্ষকে সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
ইউক্রেনে বসবাসরত বাংলাদেশীদের প্রতিবেশী দেশ পোল্যান্ডে ঢোকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
রাশিয়ার ৫০ জন সৈন্যকে হত্যা করার দাবি করেছে ইউক্রেন। সেইসাথে দেশটির চারটি ট্যাঙ্ক ধ্বংস এবং ছয়টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করারও কথা বলছে ইউক্রেন। বৃহস্পতিবার লুহানস্ক অঞ্চলে এসব সৈন্যকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে ইউক্রেন।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে কয়েকটি দিক থেকে ইউক্রেনে প্রবেশ করেছে রাশিয়ান সৈন্যরা।