মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কূটনৈতিকভাবে ইউক্রেন সমস্যার সমাধানের অঙ্গীকার করেছেন।তবে একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, এখনও রুশ হামলার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে এবং পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তারা নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতিও রেখেছেন।
উক্রেন
এখনো ইউক্রেনে রুশ হামলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্ত থেকে সরে আসার জন্য রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার ইউক্রেন সীমান্ত থেকে রুশ বাহিনীর কিছু অংশের প্রত্যাহারের খবরের সত্যতা যাচাই করা যায়নি বলেও তিনি জানিয়েছেন।
রাশিয়া মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি মোতায়েন কিছু সৈন্য তাদের ঘাঁটিতে সরিয়ে নিচ্ছে। আর এটি হবে কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউক্রেন নিয়ে পশ্চিমাদের সাথে উত্তেজনা প্রশমনের প্রথম পদক্ষেপ।
জো বাইডেনের ইউক্রেন সফরের পরিকল্পনা নেই : হোয়াইট হাউস
পশ্চিমাদের সাথে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে নিরাপত্তা সঙ্কট নিরসনের চেষ্টা অভ্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। যদিও ইউক্রেনের স্ট্রাইকিং দূরত্বের মধ্যে বিশাল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করে রেখেছে দেশটি।
সীমান্তে উত্তেজনা এবং যুদ্ধের আশংকার মধ্যে ইউক্রেনের সরকার রাশিয়া এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউরোপীয় নিরাপত্তা গোষ্ঠীর মধ্যে জরুরী বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে।
যুদ্ধের আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে। একটি জার্মান সংবাদমাধ্যম গোয়েন্দাসূত্র উদ্ধৃত করে বলেছে, বুধবারই রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালাতে পারে জার্মান সরকারকে রিপোর্ট দিয়েছেন গোয়েন্দারা।
সীমন্তের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিরসন লক্ষ্যে ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা গোষ্ঠী এবং রাশিয়ার সাথে বৈঠক করতে চায় ইউক্রেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা বলেন, সীমান্তে সৈন্য বাড়ানোর পর আমরা রাশিয়াকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিতে অনুরোধ করেছিলাম।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সতর্ক করে বলেছেন, ইউক্রেনে হামলা চালানোর জন্য মস্কো একটি ‘অজুহাত’ খুঁজছে। এই অবস্থায় উত্তেজনা কমানোর জন্য কূটনৈতিক পথ অনুসরণ করার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভালোদিমির জেলেনস্কি।
দক্ষিণ থেকে রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের ক্রাইমিয়া ভূখণ্ড, পূর্ব দিকে রাশিয়ার সাথে ইউক্রেনের সীমান্ত ও উত্তরে রুশ মিত্র বেলারুশে সৈন্য সমাবেশ করেছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী।