গুণের শেষ নেই মধুর। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপারসহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের দেহের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।
উপকারিতা
সবার রান্নাঘরেই এমন অনেক মসলা খুঁজে পাওয়া যায়, যা স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং দেহকে শক্তিশালী করে তোলে।
আমরা সাধারণত আলুর খোসা কাটার পর ফেলে দেই। চাইলে কিন্তু এই খোসা না ফেলে ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন। এটু স্কিন ইলাস্টিসিটি বাড়াতে সাহায্য করে।
মটরশুঁটি প্রোটিন, ফাইবার এবং পুষ্টির একটি চমৎকার উৎস। এটি খেতেও সুস্বাদু। শীতের মৌসুমে মটরশুঁটি পাওয়া যায়।
শীত এলেই ঘরে ঘরে আমলকীর আচার বানানোর ধুম পড়ে। কেউ বানান ঝাল, কেউ টক-মিষ্টি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমলকীর আচার বানিয়ে খেলে কি আসলেই এর ভিটামিন সি পাওয়া যায়?
গাজরের রস একটি জনপ্রিয় ও স্বাস্থ্যকর পানীয়। এটি দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
শীত মানেই পিঠা-পুলি খাওয়ার ধুম। ভাপা, পুলি, দুধ চিতই সহ নানান রকমের পিঠার বাহার। এই পিঠার মূল উপকরণের একটি হচ্ছে নলেন গুড়।
খাবার খাওয়ার পর এক খিলি পান খাওয়ার চল বাঙালির বহু পুরনো অভ্যাস। হজমশক্তি বাড়ানো বা মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে পান পাতার জুড়ি মেলা ভার।
আজকাল অনেকেরই চোখের নিচে ডার্ক সার্কেলের সমস্যা দেখা দেয়। অনিয়মিত ঘুম, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম, মানসিক চাপ কিংবা ত্বকের শুষ্কতার কারণে চোখের চারপাশে কালচে ভাব দেখা দেয়।
গাজর শুধু সুস্বাদু নয়, এটি স্বাস্থ্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ লবণ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সুরক্ষায় সাহায্য করে।