রেকর্ড করা সবচেয়ে উষ্ণতম বছর হতে যাচ্ছে ২০২৩ সাল। জাতিসংঘ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।
উষ্ণ
সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর ছিল পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণতম মাস। এর আগে কোনও সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের মতো এতো গরম ছিল না।
জলবায়ু পরিবর্তন ও নানা কারণে বাড়াচ্ছে বৈশ্বিক উষ্ণতা। তীব্র দাবদাহে পুড়ছে বিশ্বের বিভিন্ন অংশ। এরই মধ্যে ১৭৪ বছরের মধ্যে সবচেয়ে উষ্ণতম মাস ছিল গত জুন মাস ।
গত সোমবার (৩ জুলাই) ইতিহাসের ‘সবচেয়ে উষ্ণতম’ দিন দেখেছে বিশ্ব। এদিন বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ছিল ১৭ দশমিক ০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা ২০১৬ সালের আগস্টে রেকর্ড করা ১৬ দশমিক ৯২ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে ছাড়িয়ে গেছে।
গবেষকরা বলছেন, তারা হঠাৎ করেই বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার ঊর্ধ্বগতি দেখতে পাচ্ছেন।
আগামী পাঁচ বছরে বিশ্বের উষ্ণতা সর্বোচ্চ হতে পারে বলে সতর্ক করল জাতিসংঘের জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা ওয়ার্ল্ড মেটিওরজিক্যাল অর্গানাইজেশন (ডাব্লিউএমও)। বুধবার এক বৈঠকের পর তারা জানিয়েছে, আগামী পাঁচবছর রেকর্ড তাপমাত্রা দেখতে চলেছে বিশ্ব।
খরা পীড়িত স্পেন বলছে, ১৯৬১ সালে রেকর্ড করা শুরু হওয়ার পর থেকে গত মাসটি ছিল সবচেয়ে উষ্ণ ও শুষ্ক এপ্রিল।
এমনিতেই শীতের মৌসুম। তারপর কয়েকদিন ধরেই দেশে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। আর এই শীতে শরীরে প্রয়োজন পরে একটু বাড়তি যত্নের। সেই সঙ্গে যদি শীতকালের ঠাণ্ডার মাত্রা কিছুটা কমিয়ে আনা যায় তাহলে মন্দ হয়না।
প্রচণ্ড শীতে কাবু হয়ে পড়ছে মানুষ। রাতে কুয়াশা বৃষ্টি পড়ে। ঘন কুয়াশা আর মৃদু শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে জন জীবন। বিভিন্ন এলাকার মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। প্রয়োজন ছাড়া লোকজন বাড়ির বাইরে বেরও হচ্ছে না।
বসন্তের শুরু বা বাংলা মাস ফাল্গুনের আগমনে দেশে স্বাভাবিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এসময় শুষ্ক আবহাওয়া ও তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।