গরমের দুপুরে বা বিকেলের নাশতায় একটু ঠান্ডা, টক-মিষ্টি স্বাদের কিছু খেতে ইচ্ছে করে, তখনই মনে পড়ে যায় কাঁচা আমের কথা।
কাঁচা আম
গরমের সময় শরীরকে ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে কাঁচা আম একটি অত্যন্ত উপকারী ফল। এটি শুধু স্বাদেই টক-মিষ্টি নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর।
ছুটির বিকেল মানেই একটু ভিন্ন স্বাদের খোঁজ, হালকা আড্ডা আর মজার কিছু খাওয়া। আর এই সময়টাকে আরও রঙিন করে তুলতে পারেন টক-মশলাদার কাঁচা আমের ভেলপুরি দিয়ে।
গরমে প্রাণ জুড়াতে শরবতের বিকল্প কী? শরবত তো খাবেনই, আর তা যদি হয় কাঁচা আমের তৈরি, তাহলে তো আরও বেশি সুস্বাদু হয়ে উঠবে।
কাঁচা আম দিয়ে বিভিন্ন স্বাদের আচার তৈরি করে রাখছেন নিশ্চয়ই? আপনি চাইলে কাঁচা আমের জেলিও তৈরি করতে পারেন। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন।
কাঁচা আম পাওয়া যাবে আর আচার তৈরি করে রাখবেন না, তাই কি হয়! এই আচার দিয়েই তো অল্প অল্প করে সারাবছর খাওয়া হবে।
অসহ্য গরমে শরীরকে ফ্রেশ ও সুস্থ রাখতে কাঁচাআম সত্যিই এক জাদুকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।
বাতাসে কচি আমের বোলের ঘ্রাণ। মন কেমন করা দুপুর কিংবা বিকেলগুলোতে মন চলে যায় সেই ফেলে আসা দিনগুলোতে। যখন আশেপাশের সব শিশু-কিশোর গোল হয়ে বসে কাঁচা আম মাখা খাওয়া হতো। এখন আর চাইলেও সেইসব দিনে ফিরে যাওয়া যায় না।
বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে কাঁচা আম। আর গরমের দিনে তৃষ্ণা মেটাতে কাঁচা আমের এক গ্লাস ঠান্ডা শরবতের জুড়ি নেই।
বাজারে এখন মিলছে কাঁচা আম। অনেকেই তরকারিতে এটি ব্যবহার করেন। কিছুটা টক স্বাদ যোগ করা তরকারি এই গরমে খেলে স্বস্তি মেলে। তাই রান্না করতে পারেন কাঁচা আম দিয়ে পুঁটি মাছের ঝোল। কীভাবে রান্না করবেন, জানুন তার রেসিপি-