রান্নাঘরে বিভিন্ন ধরনের মশলার মধ্যে অন্যতম একটি মৌরি। এ মশলাতেই লুকিয়ে আছে নানা রোগের সমাধান। যা অনেকেই জানেন না।
খাওয়ার উপকারিতা
সাদা সিদ্ধ চালের ভাত খেতে অভ্যস্ত বাঙালি পরিবারে এখন ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে বাদামি চালের ভাত অর্থাৎ ব্রাউন রাইস।
ডালিমের পুষ্টির একটি শক্তিশালী উৎস। পুনিক্যালাজিন এবং অ্যান্থোসায়ানিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ফল প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই, কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা এবং বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীর করতে সাহায্য করে।
গরমের সময়ে এক গ্লাস আখের রস আপনাকে শুধু তৃপ্তিই দেয় না, বরং এটি সতেজতা ও শক্তিও এনে দেয়।
তীব্র গরম থেকে ফেরার পর এক গ্লাস কাঁচা আমের শরবত যেমন প্রাণ জুড়ায়, তেমনি জোগান দেয় প্রয়োজনীয় পুষ্টিরও।
অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখেন কলা ও দুধ। কেউ কেউ আবার দুটোকে একসঙ্গেও খান—যেমন কলা-শেক বা স্মুদি। কিন্তু দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া কি আদৌ স্বাস্থ্যকর? নাকি এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে? বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী জেনে নেওয়া যাক দুধ-কলা একসঙ্গে খাওয়ার উপকার ও অপকারিতা।
স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে চিয়া সিড বেশ জনপ্রিয় একটি নাম। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের একটি রিপোর্ট বলছে, প্রতিদিন ২৮ গ্রাম অথবা ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ চিয়া সিড খেলে সুস্থ থাকতে এটি নানাভাবে আপনাকে সাহায্য করবে।
ক্লান্তি দূর কিংবা অতিথি আপ্যায়নে চায়ের জুড়ি নেই। তবে চায়ের সাথে আদা ব্যবহার করতে পারেন। এতে রয়েছে দারুণ উপকারিতা।
আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন যে একটি সাধারণ খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে?
গরমে আনারস খেয়েই আপনি পেতে পারেন কয়েক রকম পুষ্টিগুণ।