দেশে জনসংখ্যা বাড়ছে ফলে আবাদি জমি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে,আকস্মিক বন্যা, ঠান্ডা জনিত ও ব্লাস্ট সংক্রামন জনিত এবং মানসম্পন্ন বীজের অভাবে ফসলের উৎপাদন কমে যায়,মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণে ফসলের উৎপাদন আরো বেশী করে বাড়াতে হবে।
খাদ্য
কৃষকের ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করেছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে খাদ্য মজুত বাড়াতে এবং কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করেছে সরকার।’
নিজেদের প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে পরনির্ভরতা কমাতে সরকারি প্রণোদনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। এ সময় তিনি প্রণোদনা নিয়ে চাষাবাদ বাড়াতে কৃষকদের প্রতি আহবান জানান।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন জনগণকে সেই দেশের বর্তমান খাদ্য সংকটের মধ্যে কম খাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই সঙ্কট ২০২৫ সাল পর্যন্ত চলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দানাজাতীয় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ায় দেশে করোনাকালেও খাদ্যের কোনো সংকট নেই। এখন আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ হলো সকলের জন্য পুষ্টিজাতীয় খাবার নিশ্চিত করা।
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে খাদ্য শস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে। সম্প্রতি একনেকে ৩০টি সাইলো নির্মাণের অনুমতি পাওয়া গেছে বলেও তিনি জানান।
খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্যের অপচয় কিভাবে রোধ করা যায় সেদিকে নজর দেয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্যের অপচয় কিভাবে রোধ করা যায় সেদিকে নজর দেয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে।
আজ শনিবার (১৬ অক্টোবর), বিশ্ব খাদ্য দিবস। কৃষি মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) যৌথ উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হবে ‘বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২১’।