চুলের যত্নে অনেকেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে ভরসা করেন। চুল প্রাকৃতিক উপায়ে উজ্জ্বল ও ঝলমলে করতে চাইলে চা কিংবা কফি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন চুল।
চুলের
চালের পানিতে থাকা নানা উপকারী উপাদান। এসব উপাদান যেমন ত্বকের জন্য ভালো, তেমনি চুলের জন্যও দারুণ উপকারী।
চিয়া সিড কেবল হজমের জন্যই ভালো নয়, ছোট্ট এই বীজ চুলের যত্নেও দারুণ কার্যকর। ওমেগা ৩ রয়েছে চিয়া বীজে, এই স্বাস্থ্যকর চর্বি প্রদাহ কমাতে এবং চুলের ফলিকলকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে।
চুল পড়া কমানোর পাশাপাশি চুল ঘন করতে সাহায্য করে প্রাকৃতিক কিছু উপাদান। নারকেল তেল, ক্যাস্টর অয়েল, পেঁয়াজ এবং কালোজিরা মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন চুলের যত্নে।
প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ লেবুর খোসা চুল পড়া রোধ করতে পারে।
রান্নাঘরের বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া কলার খোসাকা কিন্তু নানাভাবে কাজে লাগানো যায়। এটি যেমন ত্বকের যত্নে অনন্য, তেমনি চুল ভালো রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার।
অনেকেই আছেন যারা প্রতিদিন চুলে পানি লাগাতে চান না বা শ্যাম্পু করতে চান না। কিন্তু এই অসহনীয় গরমে উপায় না পেয়ে প্রতিদিনই ব্যবহার করতে হচ্ছে শ্যাম্পু।
আলু এমন একটি সবজি যা সব তরকারিতেই সহজে মানিয়ে যায়। ভাজি, ভুনা, তরকারি সবভাবেই এটি রান্না করা যায়। তবে কেবল খাবার হিসেবে নয়, চুলের জন্যও আলু দারুণ উপকারি। এতে আছে ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, জিঙ্কের মতো সব উপাদান যা চুলের গঠনে সাহায্য করে।
নিয়মিত শ্যাম্পু-কন্ডিশনার ব্যবহার করার পরেও চুল কেমন যেন প্রাণহীন হয়ে পড়ছে। নানা কারণে এমনটা হতে পারে।
ইসলাম নারীদের সৌন্দর্যচর্চায় নিষিদ্ধ করেনি; বরং শালীনতা, পর্দা ও সীমারেখা নির্ধারণ করে দিয়েছে। চুলের যত্ন ও সাজসজ্জার অনুমোদনে ইসলামের নির্দেশনা নারীদের ব্যক্তিত্ব ও সৌন্দর্যের প্রতি যত্নবান হতে উদ্বুদ্ধ করে।