চুলকে সুন্দর রাখার চেষ্টায় আপনি হয়তো এমন সব পণ্য ব্যবহার করছেন যেগুলো চুলকে স্বাস্থ্যকর করে তোলার দাবি করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এর ফলে উল্টোটাও হতে পারে। যখন আপনার চুলের ক্ষতি হয়, তখন চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ভেঙে যাওয়া বা ফেটে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে।
চুলের
চুলের যত্নে নারকেল তেলের ব্যবহার বহু যুগ ধরে প্রচলিত। প্রাকৃতিক এই তেল শুধু চুলকে নরম ও উজ্জ্বল রাখে না, বরং চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং চুল ভাঙা কমাতেও সাহায্য করে।
গরমের এই কাঠফাটা রোদে আমাদের সাধের চুলের বারোটা বাজতে একদমই সময় লাগে না। অতিরিক্ত ঘাম, চিটচিটে আর্দ্রতা আর রাস্তার ধুলোবালির কারণে চুলের বারোটা বেজে মানুষের মাথার ত্বক চুলকাতে শুরু করে।
আপনার চুলের রঙ নির্ভর করে ফলিকেলের মেলানিনের ওপর। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলের ফলিকেলে মেলানিন তৈরির ক্ষমতা কমে আসে। তাই ধীরে ধীরে চুল সাদা কিংবা ধূসর হতে শুরু করে। কিন্তু অল্প বয়সে চুল পাকার নেপথ্যে রয়েছে একাধিক কারণ। যেমন— জিনগত প্রভাব, স্ট্রেস, ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি ও থাইরয়েডের সমস্যা।
ত্বক ও চুলের যত্নে ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের প্রবণতা নতুন কিছু নয়। মেথির পানি, চিয়ার পানি, জিরার পানি—এই তালিকায় এবার নতুন সংযোজন ‘দারচিনির পানি’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে এই ঘরোয়া পানীয়টি কেশচর্চার একটি সহজ উপায় হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।
প্রাচীনকাল থেকেই চুলের যত্নে তিলের তেল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আয়ুর্বেদেও এই তেলকে চুলের জন্য পুষ্টিদায়ক বলা হয়। তিলের তেল চুল ও মাথার ত্বকের গভীরে পুষ্টি জোগাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। তবে ভুলভাবে এই তেল ব্যবহার করলে উপকারের বদলে ক্ষতিও হতে পারে।
চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা মানেই প্রশ্ন একটাই—মানসিক চাপ চুল পড়ার কারণ, নাকি চুল পড়ার কারণেই মানসিক চাপ বাড়ে? এই বিতর্ক যেমন আছে, তেমনই চুল ঝরা কমানোর নানা ঘরোয়া উপায়ের দাবিও ঘুরে বেড়ায় সামাজিক মাধ্যমে।
শীত হোক কিংবা গ্রীষ্ম— সারা বছরই চুলে অল্প করে তেল মালিশ করতে বলেন কেশসজ্জা ও কেশচর্চাশিল্পীরা।
শীত এলেই বইতে শুরু করে ঠান্ডা হাওয়া। শুষ্ক আবহাওয়া আর কম আর্দ্রতার কারণে ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ। বেড়ে যায় খুশকির পরিমাণও। অনেকের ক্ষেত্রেই খুশকি এতোটাই বেড়ে যায় যে তার জেরে দেয় মাথা চুলকানো, চুল পড়া এমনকি ইনফেকশন।
চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে আলুর রসের বিকল্প নেই। অনেকেই এই ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করেন।