প্রকৃতিতেই লুকিয়ে আছে ত্বক ও চুলের সৌন্দর্যের রসদ। চুলের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য এমনই একটি ভেষজ টোটকা হচ্ছে পেয়ারা পাতা।
চুলের
রক্ত থেকে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুষ্টিবিদরা ফ্ল্যাক্সসিড বা তিসি খাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে কেবল স্বাস্থ্যের জন্য নয়, এই উপাদানটি চুলের জন্যও বেশ উপকারি। চুল পড়া কমাতে, চুলের ফলিকলগুলোকে মজবুত করতে দারুণ কাজ করে তিসি।
ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো পুষ্টি উপাদান মেলে ভাতের মাড়ে। তাই ফেলে না দিয়ে মাড় কাজে লাগাতে পারেন চুলের যত্নে।
শুধু যে যত্নে অভাবেই নয় দেহগত কারণেও চুল পাতলা, মলিন, রুক্ষ হতে পারে।
কুমড়া বীজ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। কিন্তু এই বীজের তেল কোন কাজে লাগে?
চুলের নানা ধরনের সমস্যা কমাতে পারে জিনজার এসেনশিয়াল অয়েল বা আদার তেল। খুব সহজে বাড়িতেই বনিয়ে নিতে পারেন উপকারী এই তেল।
ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটির ব্যবহার সবারই জানা। কিন্তু চুলের সমস্যার ঘরোয়া এবং চটদলজি সমাধান লুকিয়ে রয়েছে মুলতানি মাটিতে। এটা হয়তো অনেকেই জানেন না।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে যেমন গ্রিন টি সাহায্য করে, তেমনি ত্বক উজ্জ্বল রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার। বিপাকহার উন্নত করতেও গ্রিন টির রয়েছে ভূমিকা।
চমৎকার নীল রঙের অপরাজিতা ফুলের রয়েছে অনেক ঔষধি গুণ। ফুলটির শুকনো পাপড়ি দিয়ে তৈরি করা যায় নানা রকম পুষ্টিকর পানীয়।
পেয়ারার গুণের কথা কম-বেশি সবার জানা। স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি ফল এটি। তবে কেবল পেয়ারা নয়, এর পাতাও কম উপকারি নয়। দাঁতে ব্যথা বা মুখে দুর্গন্ধ হলে পেয়ারা পাতা ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করলে এই দুই সমস্যাই দূর হয়।