ত্বক এবং চুল উভয়ের জন্যই দুর্দান্ত একটি উপাদান হচ্ছে কফি। এটি চুলের গঠন উন্নত করে এবং চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।
চুলের
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ লবঙ্গে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। রান্নায় যেমন চমৎকার সুগন্ধ নিয়ে আসে লবঙ্গ, তেমনি চুলের ফলিকলকে পুষ্ট করার জন্যও এর রয়েছে ভূমিকা।
চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া, চুল ঝরে যাওয়া কিংবা চুল ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো যেন লেগেই থাকে চুলে। দুই ধরনের তেল নিয়মিত ব্যবহার করলে উপকার মিলতে পারে।
অ্যালোভেরা জেল শুধু ত্বকের জন্য নয়, চুলের স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী। চুল লম্বা করা থেকে শুরু করে নানা সমস্যার সমাধান মেলে প্রাকৃতিক এই ভেষজে।
চুলের বিল্ডিং ব্লক, চুলের বৃদ্ধি এবং শক্তি বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে প্রোটিন।
বর্ষার মরসুমের মতোই গ্রীষ্মকালেও চুলে একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। মূলত চুলে এবং স্ক্যাল্প অর্থাৎ মাথার তালুতে ঘাম বসে চুল পড়া থেকে শুরু করে, খুশকি, ডগা ফেটে যাওয়া, চুল লালচে হওয়া - এই জাতীয় সমস্যা দেখা যায়।
লেবু চুলের যত্নে যুগ যুগ ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। লেবু বিভিন্নভাবে চুলের ও মাথার ত্বক রক্ষা করে। মাথার ত্বকে ধুলো, ময়লা আটকে থাকে, তখন লেবুর পানি মাথার ত্বকে ব্যবহার করলে তা পরিস্কার হয়ে যায়। চুলের ফলিকলগুলো আনলক করতে সাহায্য করে লেবু।
কাজের প্রয়োজনে প্রায়ই রাস্তায় বের হয়ে দীর্ঘসময় রোদ ও ধুলোয় কাটাতে হয় আমাদের। আর বাইরে বেরুলেই ত্বক ও চুলের ভয়ঙ্কর অবস্থা হয়ে পড়ে।
চুল ও ত্বকের যত্ন নিতে বিভিন্নজন ভিন্ন ভিন্ন পন্থা কাজে লাগায়। এমনকি অনেকে চিকিৎসকের পরামর্শও নিয়ে থাকেন। তবে, প্রাকৃতিক উপায়ে যদি ত্বক এবং চলেও যত্ন নেয়া যায়, তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে অ্যালোভেরা বহুল প্রচলিত।
আমাদের খাবার আমাদের ত্বক ও চুলের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই বুঝেশুনে খাওয়া জরুরি। যেকোনো খাবার খাওয়ার আগে তার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কেও জেনে রাখা ভালো।