জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীদের ভূমিকা, তাদের অবদান ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ বিল পাস হয়েছে।
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়নে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে প্রাধান্য দিয়ে সামনের দিকে এগোতে হবে। একই সঙ্গে তিনি সংসদে পারস্পরিক চরিত্রহননের রাজনীতি পরিহারের আহ্বান জানান।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানই বর্তমান সরকারের বৈধতার ভিত্তি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের তালিকা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ঢাবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় শোকজপ্রাপ্ত ৪০৩ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর মধ্যে মাত্র ৮৩ জন জবাব দিয়েছেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা প্রদান এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন এবং ফ্যাসিবাদী দোসরদের বিরুদ্ধে রাজপথে দাঁড়িয়েছেন, তাদেরকেই এখন পরিকল্পিতভাবে টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনে জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূতি উপলক্ষ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত হয়েছে।